>> রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে থাইল্যান্ডের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী >> বিশ্ব পানি সরবরাহকে জাতিসংঘের মূল এজেন্ডা করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর >> সেনা কর্মকর্তা স্বামীর নির্যাতনে শেহজাদি নামে এক চিকিৎসকের মৃত্যু >> মার্কিন রাষ্ট্রদূত মজিনাকে বস্ত্রমন্ত্রীর চিঠি : আপনার দেশে কয়টা ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার আছে? >> আরো ৫ হাজার ২ শত সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ করা হবে : দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী >> বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবীতে আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া আহত ২০

ঝিনাইগাতীতে বোরোর বাম্পার ফলন

জি এম বাবুল
শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কৃষকরা ধান কাটা নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। এবার ঝিনাইগাতীতে বোরো ফলনে লক্ষমাত্রা ছিল ১১ হাজার ৯শ ৮৫ হেক্টর। কিন্তু চাষ হয়েছিল লক্ষমাত্রার চেয়ে ৪৬৫ হেক্টর বেশি। পাশাপাশি বোরোর ফলনও হয়েছে বাম্পার।

বোরোর ফলন দেখে কৃষকরা খুশি হলেও ধানের বাজার মূল্য কম হওয়ায় এ এলাকার কৃষকের মুখে হাসি নেই। নতুন ধান উঠার পর বাজারে ধানের দাম আশংকাজনক ভাবে কমে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে নতুন ধানের দাম ৪শ ৫০ টাকা হতে ৪শ ৮০ টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় কৃষক হতাশায় রয়েছে। এ অবস্থায় এসব হাটবাজারে উঠা নতুন ধানের বাজার অসাধু ব্যবসায়ীরা নিয়ন্ত্রণ করছে। যার ফলে উপজেলার ক্ষুদ্র ও মাঝারী কৃষকের বোরো আবাদের আসল টাকা ঘরে না উঠায় মাথায় হাত !

ঝিনাইগাতী উপজেলার কৃষি অফিসার কোরবান আলী এ প্রতিনিধিকে জানান, ঝিনাইগাতী উপজেলায় এ বছর বোরো আবাদের জমির লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ হাজার ৯শ ৮৫ হেক্টর। কৃষকের ব্যাপক আগ্রহের কারণে এ লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ১২ হাজার ৪শ ৫০ হেক্টর অর্জিত হয়েছে। সাম্প্রতিক কিছু শিলা বৃষ্টি হলেও  বোরো ধানের খুব একটা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকের ঘরে ধান উঠার পূর্বে বড় ধরণের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা না দিলে বোরোর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

ঝিনাইগাতীতে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত সরকার ধান চালের বাজার দাম নির্ধারণ না করায় নৈরাশ্যজনক অবস্থার দিকে বাজার চলে যাচ্ছে। কারণ, গত কয়েক বছর ধরে বোরোর আবাদ ভালো হওয়ায় প্রতি বছরই ধানের দাম নিয়ে কৃষকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এদিকে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও দেশের বৃহত্তম ধান চাল উৎপাদনকারী জেলা ও উপজেলাগুলোর মধ্যে ঝিনাইগাতীও একটি অন্যতম উপজেলা। এ উপজেলায় বোরোর বাম্পার ফলনে সুফল পাচ্ছে না উৎপাদনকারী কৃষকেরা। ধানের দাম অস্বাভাবিক ভাবে কমে যাওয়ায় কৃষক রীতিমত হতাশ হয়ে পড়েছেন। নতুন ধান উঠার আগেও ধানের দাম ছিল ৬শ টাকার উপরে। বর্তমানে তা সাড়ে ৪শ টাকা হতে ৪শ ৮০ টাকায় নেমে এসেছে। নগদ টাকার প্রয়োজনে এ দামেই কৃষক বাধ্য হচ্ছে ফড়িয়াদের কাছে ধান বিক্রি করতে।

www.bangladeshnews24x7.com/বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম/প্রতিনিধি/জাআ/জের/০৭.০৫.২০১২/এসএকে

Comments are closed.