>> চট্টগ্রাম কক্সবাজার ও মংলা সমুদ্রবন্দরে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত >> মাছধরা নৌকাগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে >> নড়াইলে বজ্রপাতে এক জনের মৃত্যু >> আশুলিয়ায় শ্রমিক অসন্তোষ ১২ গার্মেন্টসে একদিনের ছুটি ঘোষণা >> পাকিস্তানে রিক্সা বোমায় ১২ জন নিহত

বগুড়ায় আলুর বাম্পার ফলন

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম

চলতি মৌসুমে বগুড়ায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন বেশি হলেও বাজারে আলুর চাহিদা থাকায় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ বেশি দামে আলু বিক্রি করতে পারায় আলুচাষী এবং আলু ব্যবসায়ীদের মুখে এখন হাসি।

বগুড়া সদর উপজেলার মহিষাবান গ্রামের আলুচাষী আব্দুল মান্নান জানান, চলতি মৌসুমে আলু চাষ করে তারা লাভবান হয়েছেন। ফলে বগুড়ায় আলু চাষের ভবিষৎ খুবই উজ্জ্বল। চাষীরা আশা প্রকাশ করেন, আগামী মৌসুমে আরো অধিক পরিমাণ জমিতে চাষীরা আলু চাষ করবেন।

জেলা মার্কেটিং অফিস সূত্র জানায়, গত বছর এই সময় ১০০ কেজির বস্তা প্রতি আলুর মূল্য ছিল ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। চলতি বছরের একই সময় বর্তমানে সে মূল্য তিনগুণেরও বেশি বেড়ে ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৭৫০ টাকা বস্তা হিসেবে বিক্রি হচ্ছে। খোলা বাজারে আলুর দাম কেজি প্রতি ১৮ থেকে ২০ টাকার মধ্যে, যা ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস জানায়, বগুড়ায় এ বছর প্রায় ৫৮ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করা হয়েছিল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং সার-বীজসহ কৃষি উপকরণ সমূহের সহজলভ্যতার কারণে ব্যাপক আলু উৎপাদন হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক জানান, এবার বগুড়ায় আলু উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ১০,১২,৪৩৬ মেট্রিক টন।

উৎপাদিত আলুর মধ্যে বীজ হিসাবে ১ লাখ টন আলু সংরক্ষিত করা হয়েছে। বগুড়ার মানুষ সারা বছরে প্রায় ১ লাখ টন আলু ব্যবহার করে থাকেন। এছাড়া আলুর মৌসুম শেষ হলে পরবর্তী পর্যায়ে বিক্রির জন্য জেলার ২৯টি হিমাগারে ইতোমধ্যে প্রায় ১,৯০,০০০ টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে। বিভিন্নভাবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে দেশীয় পদ্ধতিতে সংরক্ষিত করা হয়েছে আরো প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টন আলু। বাকী প্রায় ৬ লাখ মেট্রিক টন আলু দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাহিদা অনুযায়ী পাঠানো হচ্ছে।

www.bangladeshnews24x7.com-বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম/জাআ/জের/২৬.০৪.২০১২/এসএকে

Comments are closed.