>> বান্ধবীকে হত্যা মামলায় দক্ষিণ আফ্রিকার অস্কার পিষ্টোরিয়াসের ৫ বছর জেল >> খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকা সিএমএম আদালতে মামলা : তদন্তের নির্দেশ >> হবিগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬৪ জন গ্রেফতার >> নাটোরের বড়াইগ্রামে ২ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪

মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে: তারানা হালিম

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম

মঙ্গলবার সকালে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের গুলশান কার্যালয়ে সভাপতি অ্যাডভোকেট তারানা হালিম এমপি বলেছেন,  পাকিস্তানি বাহিনী সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর যেভাবে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছিল তা ছিল অত্যন্ত নিন্দনীয়। এদেশে মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এদেশের হিন্দু সম্প্রদায়।

ঐতিহাসিক রমনা কালীমন্দিরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট এই আলোচনা সভা আয়োজন করে। তারানা হালিম এসময় অবিলম্বে ঐতিহাসিক রমনা কালীমন্দির ও আনন্দময়ী আশ্রম পুনর্নিমাণ করে দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ হাসান ইমাম, এটিএম শামসুজ্জামান, খাইরুল আলম সবুজ, পীযুষ বন্দোপাধ্যায়, ড. ইনামুল হক, জামাল উদ্দিন হোসেন, খালেদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, মির্জা আব্দুল খালেক, মাহমুদ কলি, ফরিদ আলী, কাজী আরিফ, শিরীন বকুল, অরুণ সরকার রানা, মানস বন্দোপাধ্যায়, মনোরঞ্জন ঘোষাল, শংকর সাওজাল, শেখ জাহাঙ্গীর আলম, নাসিমা আক্তার লাবু, এম এ করিম, আনোয়ার হোসেন মজনু, রফিকুল ইসলাম মৃধা প্রমুখ।

তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের যে সব দেবোত্তর সম্পত্তি দখল হয়েছে সে সব সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে বলেন,  সাম্প্রদায়িক শক্তি সবসময়ই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে। আজ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কার্যক্রম শুরু হয়েছে. কিন্তু বিএনপি ষড়যন্ত্র করছে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য।

তারানা বলেন, ‘‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে পুনর্বাসনের যে কার্যক্রম জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন, তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও একই পথ ধরে বাংলাদেশকে একটি জঙ্গিরাষ্ট্র, সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও বাংলাদেশকে পাকিস্তানের অঙ্গরাজ্য বানানোর অনেক চেষ্টাই করছেন।’’
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাতে ঐতিহাসিক রমনা কালীমন্দির ও আনন্দময়ী আশ্রমে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী সার্চলাইট অপারেশন করে মন্দিরের পুরোহিতসহ ১০১ জনকে হত্যা করে এবং ৫০টির মত গরুসহ মন্দিরে পেট্রোল ও পাউডার দিয়ে জ্বালিয়ে দেয় ও মন্দিরটিকে ধবংস করে।

এই দিনটির স্মরণে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট প্রতি বছরের মত এবারও এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। সংগঠনের পক্ষ থেকে সকালে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

www.bangladeshnews24x7.com/বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম/জাআ/জের/২৮.০৩.২০১২/এসএকে


Comments are closed.