>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

৩০মার্চ ১১ তম সার্ক ট্রেড ফেয়ার এবং ট্যুরিজম মার্ট-২০১২

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম

সার্ক সচিবালয়ের ৩০ মে ২০১০ তারিখের সিদ্ধান্ত মোতাবেক  ১১তম সার্ক ট্রেড ফেয়ার এবং ট্যুরিজম মার্ট-২০১২ বাংলাদেশে আয়োজিত হচ্ছে। আগামী ৩০ মার্চ থেকে ০১ এপ্রিল ২০১২ পর্যন্ত সময়ে ঢাকাস্থ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিতব্য এই মেলার আয়োজক দেশ হিসাবে দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ। আশা করা যায় যে, ১১তম সার্ক ট্রেড ফেয়ার এবং ট্যুরিজম মার্ট-২০১২ অত্যন্ত সফল হবে এবং সার্কভুক্ত জাতিসমূহের মাঝে ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং বিশেষ করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সম্পর্কে পারস্পরিক তথ্যাদি বিনিময় ঘটবে।

এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হল দক্ষিণ এশিয়ার আমদানী ও রপ্তানীকারকদের মধ্যে ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন বাণিজ্যিক তথ্য সেবা প্রদান করা। সার্ক অঞ্চলের অধিকাংশ আমদানী ও রপ্তানীকারকগণ বাজার উন্নয়ন, পণ্য মূল্য, রপ্তানী সম্ভাবনাসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ন অর্থনৈতিক বিষয়সমূহ সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিফহাল না থাকার কারনে তাদের বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে পর্যাপ্তভাবে ব্যবহারে সক্ষম নয়। এই মেলা আয়োজনের আরও একটি উদ্দেশ্য হল সার্কভুক্ত জাতিসমূহের মাঝে ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্পর্কিত বিভিন্ন কার্যকর তথ্যাদির আদান প্রদান ও পর্যটন খাতকে আরও এগিয়ে নেয়া। ১১তম সার্ক ট্রেড ফেয়ার এবং ট্যুরিজম মার্ট-২০১২ একটি ফলপ্রসূ মঞ্চ হিসেবে কাজ করবে যার পটভূমিতে সার্কভুক্ত জাতিসমূহ তাদের ব্যবসা বাণিজ্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকে প্রদর্শন করার সুযোগ পাবে।

১১তম সার্ক ট্রেড ফেয়ার এবং ট্যুরিজম মার্ট-২০১২ সমগ্র দক্ষিন এবং দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার জাতিসমূহের টার্গেট দর্শনার্থীদের উপর আলোকপাত করবে, যার মধ্যে ভারত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, কম্বোডিয়া এবং সিঙ্গাপুর উল্লেখযোগ্য। সার্ক পর্যবেক্ষক দেশসমূহের (আমেরিকা, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ইরান, দক্ষিন কোরিয়া, মৌরিশিয়াস, মিয়ানমার, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, চীন এবং তুরস্ক) দর্শনার্থীগনও এ তালিকায় রয়েছে। উৎপাদনকারী ও সরবরাহকারীগন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দর্শনার্থী হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এই প্রদর্শনী সার্ক দেশসমূহ হতে আগত এজেন্ট, সরবরাহকারী, আমদানীকারক, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতা, বিভিন্ন সংগঠন, সরকারী কর্মকর্তা, বাণিজ্যিক সংগঠন, হোটেল, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, রেস্টুরেন্টসমূহ, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্সীসমূহ এবং  সাধারন ভোক্তাগনের কাছে অত্যন্ত আকর্ষনীয় হয়ে উঠবে।

এই আয়োজনে নিম্নোক্ত পন্য সেবা প্রদর্শিত হবেঃ
–  সম্ভাবনাময় রপ্তানীযোগ্য পন্য এবং
–  পর্যটন এবং আতিথেয়তা সম্পর্কিত পন্য ও সেবাসমূহ।
মেলায় ৩০০ টি স্টল থাকবে। এর মধ্যে পর্যটন খাতের জন্য ৫০টি, বাংলাদেশ ব্যতীত অন্যান্য সার্কভুক্ত দেশ সমূহের জন্য ১০০টি, সার্ক পর্যবেক্ষক দেশসমূহের জন্য ২০টি এবং বাংলাদেশের জন্য ১৩০টি স্টল সংরক্ষন করা হবে। তবে অংশগ্রহনকারী দেশসমূহের চাহিদা অনুযায়ী এই সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে।
১১তম ট্রেড ফেয়ার এবং ট্যুরিজম মার্ট ২০১২ উপলক্ষ্যে বিশেষ সেমিনার এবং র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে,  যেখানে সার্কভুক্ত জাতিসমূহের বাণিজ্যিক এবং পর্যটন খাতকে তুলে ধরা হবে। মেলা চলাকালীন সময়ে অন্ততঃ ৬টি সেমিনারের আয়োজন করা হবে এবং ২৩ মার্চ ২০১২ তারিখে একটি র‌্যালির আয়োজন করা হবে। এতদ্ব্যতীত, বাড়তি আকর্ষন হিসেবে থাকবে সার্কভুক্ত দেশসমূহের অংশগ্রহনে মেলা প্রাঙ্গনে ৩ দিন ব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে নিজ নিজ দেশের সাংস্কৃতি ও ঐতিহ্য প্রদর্শিত হবে। এছাড়া, একটি বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

আশা করা হচ্ছে সার্কভুক্ত ৮টি দেশ (বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল, শ্রীলংকা, মালদ্বীপ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্থান) সহ ১০টি সার্ক পর্যবেক্ষক দেশও (আমেরিকা, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, মিয়ানমার, দক্ষিন কোরিয়া, ইরান, মৌরিসিয়াস, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, চীন এবং তুরস্ক) মেলায় অংশ নেবে।

এ মেলাতে দর্শনার্থী লক্ষ্যমাত্রা  ২,০০,০০০ বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রদর্শনীটি দর্শনার্থীদের জন্য প্রতিদিন সকাল ১০:০০ টা হতে রাত ৮:০০ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

www.bangladeshnews24x7.com/বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম/জাআ/জের/২১.০৩.২০১২/এসএকে


Comments are closed.