>> বরগুণায় সাগরে ট্রলার ডুবি ৪ জেলে উদ্ধার ৪ জন নিখোঁজ >> টেষ্ট অধিনায়কত্ব হারালেন মুশফিকুর রহিম >> নতুন টেষ্ট অধিনায়ক সাকিব আল-হাসান সহ-অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ

দেশের জনগণ চাইলে আবারও সরকার গঠনের আশাবাদ শেখ হাসিনা’র

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

Hasinaদেশের জনগণ চাইলে আবারও সরকার গঠনের আশাবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমরা দেশটাকে স্বাধীন করেছি, স্বাধীনতার চেতনায় বাংলাদেশকে গড়ব। তারপর জনগণের ইচ্ছা কাকে ভোট দেবে। আগামী নির্বাচনে যদি দেশের মানুষ ভোট দেয় তাহলে আবারও সরকার গঠন করবেন তিনি। আর জনগণ ভোট না দিলেও কিছু করার নেই। তবে দেশের মানুষ উন্নয়ন চাইলে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে বেছে নেবে বলেই আশা করেন প্রধানমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কম্বোডিয়া সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে উন্নয়নশীল জাতিতে পরিণত করেছে। আগে যেখানে ছিল ভিক্ষুক জাতি, এখন উন্নয়নের রোল মডেল। অন্তত এই জায়গায় বাংলাদেশটাকে নিয়ে আসতে পেরেছি। আওয়ামী লীগ না থাকলে তো উন্নয়ন কাজ হয় না। আমি চ্যালেঞ্জ দিতে পারি এত অল্প সময়ে কোনো দেশে এত উন্নয়ন কাজ কখনো হয়নি।

আগাম নির্বাচনের গুজব নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, পার্লামেন্টারি সিস্টেম অব ইলেকশনে যেকোনো সময় ইলেকশন দেয়া যায়। কিন্তু এমন কোনো দৈন্যদশায় পড়িনি যে আগাম নির্বাচন দিতে হবে।

‘শেখ হাসিনাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন’ খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এমন কী অপরাধ করেছি যে আমি ক্ষমা চাইব? তারই উচিত দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া। ছবি বিশ্বাসের গাড়িতে আগুন দিল, ২০১৪-১৫ সালে কীভাবে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ মেরেছে। কাজেই ক্ষমাটা ওনার জাতির কাছে চাওয়া উচিত। এ সময়, বিএনপি-জামায়াত সরকারের বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড যথাযথভাবে তুলে না ধরার দেশের গণমাধ্যমের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিএনপি নাকে খত দিয়ে এবারের নির্বাচনে আসবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচনে আসা প্রত্যেক দলের কর্তব্য। যারা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না, তারা নির্বাচনে আসবে না। আর বিএনপি নির্বাচনে আসবে কি আসবে না, সেটা তাদের সিদ্ধান্ত। সাধাসাধির কিছু নেই।

তিনি আরও বলেন, জনগণ যাতে পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারে, সেটা নিশ্চিত করা হবে। যারা জনগণের কল্যাণ চায়, তারাই নির্বাচিত হয়ে সংসদে আসুক এটাই আমরা চাই। তবে মনে রাখতে হবে খুনি–যুদ্ধাপরাধীরা যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমরা সমর্থন পাচ্ছি। কম্বোডিয়ার প্রেসিডেন্টকে আহ্বান জানিয়েছে, তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, আসিয়ানে এ বিষয়ে কথা বলবেন। মিয়ানমারকে তারা চাপ দিচ্ছেন। কেউ কেউ প্রকাশ্যে না বললেও চাপ দেয়া হচ্ছে। সবাই চায় রোহিঙ্গারা তাদের নিজের দেশে ফিরে যাক। আমরাও তাই প্রত্যাশা করি। প্রতিবেশি দেশ হিসেবে আমি চাই তাদের সঙ্গে প্রতিবেশিভাব থাকুক। মানবিক কারণে আশ্রয় দিয়েছি। অবশ্যই ফেরত নিতে হবে।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ০৭.১২.২০১৭


মতামত দিন