>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

নড়াইলে পশুর হাটে কেনা-বেচা জমে উঠেছে

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

Cow 2নড়াইল জেলার পশুর হাটগুলোতে জমে উঠেছে কেনা-বেচা। ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পশুর হাটগুলো। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, জেলায় মোট ১৩ টি পশুর হাট রয়েছে। এর মধ্যে নড়াইল সদর উপজেলায় ৩ টি, লোহাগড়া উপজেলায় ৫টি ও কালিয়া উপজেলায় ৫টি। এছাড়াও ঈদকে ঘিরে বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ীভাবে কয়েকটি পশুর হাট বসেছে। বিশেষ করে জেলার মাইজপাড়া, নাকশি, চাকই পশুহাট, লোহাগড়া, শিয়েরবর এবং পুরুলিয়া পশুহাটে বেশি পশু কেনা-বেচা হয়ে থাকে।

গত বছর জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ছিল প্রায় ১২ হাজার এবং ছাগলের চাহিদা ছিল সাড়ে ৫ হাজার। সে হিসেবে জেলার চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ১২ হাজার পশু (গরু ও ছাগল) বেশি মোটাতাজা করেছিল। আর এসকল উদ্বৃত্ত গরু বিভিন্ন জেলার কোরবানির চাহিদা মিটিয়েছে। জেলা পশু অফিসের হিসেব অনুযায়ী এবছর জেলায় কোরবানি গরুর চাহিদা হবে সর্বপরি ১৪ হাজার এবং ছাগলের চাহিদা হবে ৬ হাজার। অর্থাৎ জেলার চাহিদার চেয়ে তিনটি উপজেলায় মোট ৮ হাজারের বেশি গরু এবং ৩ হাজার ছাগল মোটাতাজা করছে জেলার কৃষকেরা। অর্থাৎ এবছর জেলার চাহিদা থেকে ১১ হাজার বেশি পশু মোটাতাজা করা হয়েছে।

সদর উপজেলার সিমানন্দপুর গ্রামের ইশারত শেখ বলেন, তিনি ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনেছেন। পশু হাটের সার্বিক নিরাপত্তা অনেক ভাল বলে তিনি জানান।

লোহাগড়া উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমান বলেন, তিনি ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনেছি কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই পশু কিনতে পেরে আমি খুব খুশি।

কালিয়া উপজেলার কলেজপাড়া এলাকার রনি জানান, এ বছর কোরবানির পশুর দাম জন সাধারনের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। কোরবানির জন্য একটি গরু কিনেছি ৫০ হাজার টাকা দিয়ে।

পশু ব্যবসায়ী মোসলেম উদ্দিন জানান, এবছর কোরবানির পশুর দাম সহনীয় পর্যায়ের মধ্যে রয়েছে। আমরা নড়াইলের বিভিন্ন হাট থেকে গরু কিনে ঢাকাসহ বিভিন্ন হাটে বিক্রি করি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কমকর্তা ডা: আমিনুল ইসলাম জানান, প্রাণি সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে খামারিদের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রয়েছে। কেউ যাতে পশুর শরীরে ক্ষতিকারক ইনজেকশন পুশ না করে সেদিকে বিশেষ নজরদারি করা হচ্ছে। পশুহাটগুলোতে নিয়মিত মেডিকেল টিম রয়েছে। পশুর মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে বলেও তিনি জানান।

পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম বলেন, জেলার পশুহাট গুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার জন্য পোশাকে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে পাশাপাশি সাদা পোশাকেও পুলিশ দায়িত্ব পালন করছেন। হাটগুলোতে জাল টাকার লেনদেন প্রতিরোধে জাল টাকা শনাক্ত করন মেশিন বসানো হয়েছে। যে কোন প্রয়োজনে পুলিশের সহযোগিতা নেওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহব্বান জানান তিনি।

-ফাইল ছবি

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ২৯.০৮.২০১৭


Comments are closed.