>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

সীমান্তে আশ্রয় প্রার্থীদের ভীড় বাড়তে থাকায় উদ্বিগ্ন কানাডা সরকার

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

canadaকানাডা সীমান্তে আশ্রয় প্রার্থীদের ভীড় ক্রমশ বাড়ছে। কানাডা সরকার আশঙ্কা করছে আমেরিকা থেকে আসা আশ্রয় প্রার্থীদের সংখ্যা বিপুল ভাবে বেড়ে যেতে পারে, যা ২০১৯ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রী জাষ্টিন ট্রুডোর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

জুলাই এবং আগষ্ট মাসে কানাডায় ৭০০০ আশ্রয়প্রার্থী এসেছে, যা এর আগের তুলনায় তিন গুণ। যুক্তরাষ্ট্রে হাইতির নাগরিকদের সাময়িক আশ্রয়ের অনুমোদনের মেয়াদ শেষ হবে ২০১৮ সালের জানুয়ারীতে। এরপর তাদের ডিপোর্ট করা হবে বলে ঘোষণা করেছে আমেরিকা। ফলে ডিপোর্ট হওয়ার ভয়ে হাইতির নাগরিকরাই বেশী সংখ্যায় আসছে কানাডায়।

সূত্র জানায়, ডুক্তরাষ্ট্রে এল সালভেদর, নিকারাগুয়া এবং হণ্ডুরাসের নাগরিকদের সাময়িক আশ্রয়ের মেয়াদও শেষ হবে ২০১৮ সালের জানুয়ারীতে। ফলে তারাও হাইতির নাগরিকদের মত কানাডায় এসে ভীড় করতে পারে।

সূত্রমতে, কোন কোন দেশের নাগরিকরা আসবে, কখন আসবে, কত সংখ্যায় আসবে, কানাডায় তার কী প্রভাব পড়বে- এসব নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন।

বর্তমানে যারা আসছে তাদের বেশীর ভাগ ফরাসীভাষী কুইবেক প্রদেশে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে সে প্রদেশের বিরোধী দল এবং অভিবাসন বিরোধীরা প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরু করেছে।

ট্রুডোর লিবারাল পার্টিকে ২০১৯ সালের নির্বাচণে ক্ষমতায় অসতে হলে কুইবেকের ভোটারদের মন জয় করতে হবে, না হলে পরাজয়ের মুখোমুখি হতে হবে।

ইতোমধ্যে লিবারাল পার্টি কুইবেকে জনপ্রিয়তা হারাতে বসেছে, এটা লিবারালদের জন্য দুঃশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসীদের বহিস্কারের ঘোষণা দেয়ার পর, প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো আশ্রয়প্রার্থীদর কানাডায় আশ্রয় দেয়ার ঘোষণা দিয়ে নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছেন কী না সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ২৫.০৮.২০১৭


Comments are closed.