>> নায়করাজ রাজ্জাকের দাফন আজ সকাল ১০টায় >> নারায়নগঞ্জ ৭ খুন মামলায় নূর হোসেন তারেক সাঈদসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডেশ বহাল >> আইন সচিব জহিরুল হকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ তিন মাস স্থগিত : হাইকোর্ট >> কোথাও কোথাও মাঝারি ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে >> পাবনায় দুই বাসের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত ১৫ জন আহত

শরণার্থী ঠেকাতে আসলে ইতালরি জাহাজে হামলা চালানো হবে : লিবিয় জেনারেল

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

khalifa Haftarআফ্রিকা থেকে, বিশেষ করে লিবিয়া ও তিউনিসিয়া থেকে, শরণার্থীরা যাতে ইউরোপ যেতে না পারে সেজন্য দু’টো ইতালীয় যুদ্ধ জাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। এ হাজাজের কাজ হবে ভূমধ্যসাগরে শরণার্থীদের নৌকা ঠেকানো/আটকানো এবং তাদের লিবিয়ায় ফেরত পাঠানো। এ কাজে জাহাজ দু’টি লিবিয়ার জলসীমা ও উপকূল এলাকায় টহল দিবে।

ইতালীর জাহাজে হামলা চালানোর জন্য তিনি এরই মধ্যে লিবিয়ার নৌবাহিনীকে অনুমোদন দিয়েছেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বহুদিন থেকে চিন্তাভাবনা করছে যে, শরণার্থীদের ভূমধ্যসাগর থেকে ধরে লিবিয়ায় অস্থায়ী ক্যাম্প বানিয়ে সেখানে রাখবে। এ দু’টি জাহাজ মোতায়েন সে পরিকল্পনারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

এদিকে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় সরকারের প্রভাবশালী নেতা ও সেনা প্রধান ফিল্ড মার্শাল খলিফা হাফতার বলেছেন, ইতালীর জাহাজ শরণার্থীদের ঠেকাতে আসলে সে জাহাজে হামলা চালানো হবে। শুধু তাই নয়, লিবিয়ার জলসীমায় প্রবেশ করলেও হামলা চালানো হবে।

মার্শাল হাফতার মনে করেন, ন্যাটো ও পশ্চিমা বিশ্ব গাদ্দাফীকে উৎখাত করে লিবিয়ায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং পুনর্গঠনে সর্বোতভাবে সাহায্য করবে বলে প্রতিশ্রুতিদিয়েছিল কিন্তু তারা তার কিছু করে নি। বরং এখন দেশটিতে বিভিন্ন উগ্র ইসলামী শক্তিকে ইন্ধন দিয়ে এবং অস্ত্র সরবরাহ করে পুরো দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে।

Libyaএখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের একান্তই নিজেদের সমস্যা লিবিয়ার ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করছে। কারণ, শরণার্থীরা লিবিয়ার নাগরিক নয় এবং তারা লিবিয়ার কারণে এখানে আসেনা। ইউরোপ যাওয়ার জন্যই আসে। আবার এসব শরণার্থীদের নিজ নিজ দেশে ইউরোপ ও পশ্চিমা বিশ্ব সশস্ত্র সংঘাত জিইয়ে রেখেছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। তার উপরে আবার ইউরোপীয় দেশগুলো প্রতি বছর নিজেদের শ্রম শক্তির ঘাটতি মেটাতে লক্ষ লক্ষ অভিবাসীকে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দিয়ে তাদের ইউরোপে আসতে প্রলুব্ধ করছে।

এ হুমকির মাধ্যমে ইতালীর প্রতি দেশটির ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কারণ, ইতালী বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে লিবিয়ার ঔপনিবেশিক শাসক ছিল। ফলে ইতালীর প্রতি লিবিয়ার মানুষের মনে ঘৃণা রয়েছে।

তবে খলিফা হাফতার সত্যি সত্যিই ইউরোপের শক্তিশালী দেশ ইতালীর যুদ্ধ জাহাজে হামলা চালাবেন কী না, সেটা নিশ্চিত নয়। আবার এ হামলা চালালে রাজধানী ত্রিপোলিস্থ জাতিসংঘ সমর্থিত লিবিয়ার জাতীয় ঐক্য সরকারের সাথে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটবে।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ০৪.০৮.২০১৭


Comments are closed.