>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

কেরাণীগঞ্জের শিশু আবদুল্লাহ হত্যার মামলায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

death-sentence-4কেরানীগঞ্জে মুক্তিপণের দাবিতে স্কুলছাত্র আব্দুল্লাহকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে এক আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে পলাতক আসামি খোরশেদ আলমকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্ক এক আসামিকে শিশু আইনে ১০ বছরের সাজা এবং এক নারীকে এক বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বুধবার ঢাকার ৩ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাঈদ আহমেদ দেড় বছর আগের এ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন।

হত্যায় সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলেও আসামি মেহেদী হাসান শামীমের বয়স ঘটনার সময় ১৮ বছরের কম হওয়ায় ২০১৩ সালের শিশু আইনে তার ১০ বছরের সাজার রায় এসেছে।

অপর আসামি মিতু আক্তারকে এক বছরের কারাদণ্ডের সঙ্গে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। তবে তার ৯ মাসের একটি সন্তান থাকায় আপিলের শর্তে তাকে রায়ের পরপরই জামিন দেন আদালত। এ ছাড়া অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ না হওয়ায় নাসিমা বেগম নামের আরেক আসামি খালাস পেয়েছেন।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘রায়ের কপি দেখে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৯ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের পশ্চিম মুগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আবদুল্লাহকে অপহরণের পর তার পরিবারের কাছে সাড়ে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। তাকে মুক্ত করার জন্য পরিবার ২ লাখ টাকা দিলেও অপহরণের দিনই আসামিরা ১১ বছর বয়সী আবদুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

পরে শিশুটির লাশ ভরে রাখা হয় প্লাস্টিকের ড্রামে। ৪ দিন পর আব্দুল্লাহর বাবার আপন চাচা মোতাহার হোসেনের বাড়িতে ওই ড্রাম থেকে শিশুটির গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় আবদুল্লাহর নানা মারফত আলী ওই বছর ৩১ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা করেন। তদন্তের মধ্যেই ৭ ফেব্রুয়ারি র‌্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন মামলার মূল আসামি মোতাহার হোসেন।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ২০১৬ সালের ৯ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ২০ জনের সাক্ষ্য শুনে আদালত বুধবার রায় ঘোষণা করেন।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ১৪.০৬.২০১৭


Comments are closed.