>> নারায়নগঞ্জ ৭ খুন মামলায় নূর হোসেন তারেক সাঈদসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডেশ বহাল >> আইন সচিব জহিরুল হকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ তিন মাস স্থগিত : হাইকোর্ট >> উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে রেল ঢাকার যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে >> কোথাও কোথাও মাঝারি ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে >> পাবনায় দুই বাসের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত ১৫ জন আহত

রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধ্বসে উদ্ধার কার্য পরিচালনাকালে ৪ সেনাসদস্য নিহত

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

Chittagong Hilltract mudslideরাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসের উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনাকালে পুনরায় পাহাড় ধসে ২ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৪ সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার ভোরে রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে পাহাড় ধসে মাটি ও গাছ পড়ে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেলে ওই সড়কের যান চলাচল স্বাভাবিক করতে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনাকালে নিহতের এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আরো ১০ সেনাসদস্য আহত হয়। তাদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশংকাজনক।

নিহতরা হলেন- মেজর মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, বাড়ী মানিকগঞ্জের সিংড়াইল; ক্যাপ্টেন মোঃ তানভীর সালাম শান্ত, বাড়ী পটুয়াখালীর বাউফল; কর্পোরাল মোহাম্মদ আজিজুল হক, বাড়ী ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ এবং সৈনিক মোঃ শাহিন আলম, বাড়ী-বগুড়ার আদমদিঘীতে।

গুরুতর আহত ৫ সেনাসদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

উদ্ধার কার্যক্রম চালানোর সময় ভূমিধসে পতিত সেনাসদস্য সৈনিক মোঃ আজিজুর রহমান এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। প্রচন্ড বৃষ্টিতে উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

এ ঘটনা পর্যবেক্ষণে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক আজ বিকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। তিনি হতাহত সকল সেনাসদস্য ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আইএসপিআর এর এক বিজ্ঞপ্তি থেকে আরো জানা গেছে, মানিকছড়িতে পাহাড় ধসে চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়ক বন্ধ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে রাঙ্গামাটি জোন সদরের নির্দেশে মানিকছড়ি আর্মি ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনীর একটি দল সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।

উদ্ধার কার্যক্রম চলাকালীন আনুমানিক সকাল ১১টার দিকে উদ্ধার কার্যস্থল সংলগ্ন পাহাড়ের একটি বড় অংশ উদ্ধারকারী দলের উপর ধসে পড়লে তারা মূল সড়ক থেকে ৩০ ফিট নিচে পড়ে যায়। পরবর্তীতে একই ক্যাম্প থেকে আরও একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ২ সেনা কর্মকর্তাসহ ৪ জন সেনাসদস্যকে নিহত এবং ১০ জন সেনাসদস্যকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে।

গত তিনদিনের প্রবল বর্ষণের ফলে গতকাল থেকেই পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস শুরু হয়। এতে করে সমগ্র এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার এবং পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যের জন্য বিভিন্ন সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা গতকাল থেকেই উদ্ধারকার্যে অংশগ্রহণ করে।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ১৩.০৬.২০১৭


Comments are closed.