>> কুমিল্লা বিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে রংপুর রাইডার্স বিপিএল ফাইনালে >> হবিগঞ্জে ৫ জেএমবি সদস্য আটক

সিরিয়ার আল-কায়েদার হাতে অত্যাধুনিক মার্কিন অস্ত্রের ছড়াছড়ি

সম্পাদকীয়ডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

# ট্যাংক বিধ্বংসী টাও (TOW) ক্ষেপণাস্ত্র

# ট্যাংক বিধ্বংসী টাও (TOW) ক্ষেপণাস্ত্র

তুরস্ক সীমান্ত সংলগ্ন পশ্চিম আলেপ্পোয় সিরিয়ায় আল-কায়েদার শাখা হায়্ত তাহরীর আল শামের কাছে অত্যাধুনিক মার্কিন অস্ত্রের ছড়াছড়ি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এসব অস্ত্রের মধ্যে পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্যাংক বিধ্বংসী টাও (TOW) ক্ষেপণাস্ত্র এবং বেশ কিছু সংখ্যক গ্রাড মিসাইল লাঞ্চার রয়েছে যার রেঞ্জ ৪০ কিলোমিটার।

সিরিয়ার আল-কায়েদা সন্ত্রাসীরা এসব টাও ক্ষেপণাস্ত্র কেবল ট্যাংক ও সাঁজোয়া যানের বিরুদ্ধেই ব্যবহার করছে না, সাধারণ সামরিক পরিবহণ ও হেলিকপ্টারের বিরুদ্ধেও ব্যবহার করছে। এছাড়া বিল্ডিং এর দেয়াল ভাঙার কাজেও ব্যবহার করছে। এমন কি কখনও কখনও বিমানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতেও ব্যবহার করছে।

অপরদিকে দূরপাল্লার গ্রাড মিসাইল ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও স্থাপনায় হামলা চালাতে সক্ষম হচ্ছে। যেমন সম্প্রতি আলেপ্পো বিমান বন্দর চালু করার পর সেখানে গ্রাড মিসাইলের হামলা চালিয়ে ক্ষতি সাধন করায় বিমান বন্দ্ররটি আবার বন্ধ করে দিতে হয়েছে।

পূর্ব আলেপ্পোর পতনের আগে এসব অত্যাধুনিক মার্কিন অস্ত্র সন্ত্রাসীদের হাতে ছিল না। কিন্তু আলেপ্পোর পতনের পর তাদের কাছে পর্যাপ্ত সংখ্যায় এসব অস্ত্র দেখা যাচ্ছে। একজন আল-কায়েদা কমাণ্ডার নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানিয়েছেন, আমেরিকার বর্তমান প্রশাসনের সাথে তাদের সম্পর্ক খুব ভাল। এসব অস্ত্র আমেরিকাই তাদের দিয়েছে।

# ৪০ কিলোমিটার পল্লার বিএম-২ গ্রাড মিসাইল লাঞ্চার

# ৪০ কিলোমিটার পল্লার বিএম-২ গ্রাড মিসাইল লাঞ্চার

স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, এসব অস্ত্র প্রধানতঃ আল-জাহরা ফ্রন্টে পাহাড় পর্বতে স্থাপন করে সিরিয় বাহিনীর উপর ও আলেপ্পো শহরে হামলা চালানো হচ্ছে। এছাড়া তাদের কাছে আরও নানা ধরণের মার্কিন অস্ত্র রয়েছে।

উল্লেখ্য, সিরিয়ায় যখন দায়েশ ও হায়াত তাহরির প্রায় পুরোপুরি পর্যুদস্ত হওয়ার পথে তখন আমেরিকায় ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণ করে। তারপর থেকেই সিরিয়ার রণাঙ্গনে আবার চিত্র পাল্টাতে শুরু করে। বর্তমানে সিরিয়ায় ১৩-১৪টি সেক্টরে দায়েশ এবং আল-কায়েদা আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এখন তারা অত্যাধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারূদ ব্যবহার করে সিরিয় বাহিনীর উপর পাল্টা হমলা চালাচ্ছে বা চালাতে চেষ্টা করছে। যে দামেস্ক প্রায় শান্ত হয়ে এসেছিল সেই দামেস্কেই এখন চারটি প্রধান যুদ্ধ ক্ষেত্র।

আমেরিকা সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধের কথা বলে জবরদস্তি সিরিয়ায় ঢুকে বিমানে করে অস্ত্র এনে সন্ত্রাসীদের সরবরাহ করছে বলে সিরিয়া সরকার একাধিকবার অভিযোগ করেছে। এছাড়া তুর্কি ভূখণ্ড ও সীমান্ত ব্যবহার করেও সন্ত্রাসীদের অস্ত্র সরবরাহ করছে। পাশিাপাশি ইরাকের সীমান্ত ব্যবহার করেও অস্ত্র চালান করছে সিরিয়ার সন্ত্রাসীদের জন্য। ইরাকী রাজনীতিক ও সাংসদরা সম্প্রতি এ বিষয়ে মুখ খুলতে শুরু করেছেন।

বাংলাদেশনিউজ
৩০.০৪.২০১৭


Comments are closed.