>> জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩০ ডিসেম্বর : শিক্ষামন্ত্রী >> ইয়েমেনের রাজধানী সানায় আবার সৌদি বিমান হামলা নিহত ৩ >> হবিগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে ২ জন নিহত

২৮ কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ বহাল

স্বাস্থ্যডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

Sub standard medicines and antibiotics 1বাংলাদেশের ২৮টি কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড ও ক্যান্সার প্রতিরোধক ওষুধের উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। এ বিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া রুলের ওপর শুনানি করে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সোমবার এ আদেশ দেয়।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ গত ২৭ ফেব্রুয়ারি এসব কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক (পেনিসিলিন ও সেফালোস্পোরিন), স্টেরয়েড ও ক্যান্সার প্রতিরোধক ওষুধের উৎপাদন ও বিপণন তিন দিনের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল।

পাশাপাশি ওই ২৮ কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিক্যানসার ও হরমোন-জাতীয় ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা ‘কেন বেআইনি হবে না’এবং এসব কোম্পানিকে ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছিল হাইকোর্ট।

ওই রুলের নিষ্পত্তি করেই সোমবার ২৮ কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ বহাল রাখা হল।

হাইকোর্টের আজকের রায়কে স্বাগত জানিয়ে জনস্বাস্থ্য অন্দোলনের নেতা বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার আবদুল মতিন রেডিও তেহরানকে বলেন, ওষুধ উৎপাদনকারীরা এখন থেকে সতর্ক হবেন এবং মানসম্মত ওষুধ তৈরি করবেন। যাতে তাদের ওষুধ সেবন করে উল্টো বিপদে পড়তে না হয়।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ অনুমোদিত বিশেষজ্ঞ কমিটি তাদের প্রতিবেদনে ওই ২৮টি কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন বন্ধের সুপারিশ করার পরও তা বাস্তবায়িত না হওয়ায় হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ একটি রিট আবেদন করে।

তাদের আবেদনে বলা হয়েছিল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা ‘গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস’ অনুসরণ না করে ওই ২৮টি কোম্পানি নিম্নমানের অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড ও ক্যান্সার প্রতিরোধক ওষুধ উৎপাদন ও বিপণন করছে এবং তাতে জনস্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।

১৯৮২ সালের ওষুধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস’ বা জিএমপি অনুসরণ না করলে লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত করা যাবে।

নিম্নমানের ওষুধ প্রস্তুত, মজুদ, অথবা বিক্রির জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক এক লাখ টাকা জরিমানাসহ শাস্তি অথবা উভয় দণ্ডের শাস্তিরও বিধান রয়েছে আইনে।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ০৪.০৪.২০১৭


Comments are closed.