>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

আজ মহান ভাষা শহীদ দিবস

Shaheed Minar smআজ ২১ ফেব্রুয়ারী! মহান ভাষা শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ‘আমার ভাই-এর রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’- প্রথম প্রহর থেকে ধ্বনিত হচ্ছে সেই অমর সংগীতের অমিয় বাণী। ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে ঐতিহাসিক একুশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার পর থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দিবসটি শ্রদ্ধা ও মর্যাদার সাথে পালিত হচ্ছে।

মায়ের ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে একুশে ফেব্রুয়ারী ছিল ঔপনিবেশিক প্রভুত্ব ও শাসন-শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালীর প্রথম প্রতিরোধ এবং জাতীয় চেতনার প্রথম উন্মেষ। তাই এ দিনটি যেমন প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, আত্মবলিদান ও শোকের; তেমনি এ দিনটি অর্জনের, গর্বের, অহংকারের ও গৌরবের।

বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের শুরুতে ১৯৪৮ সালেই বাঙালী ফুঁসেঁউঠেছিল প্রতিবাদে। কিন্তু ১৯৫২ সালের এই দিনে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে দুর্বার আন্দোলনে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত, রফিকের ঢেলে দিয়েছিল বুকের রক্ত! যে রক্তের বিনিময়ে বাংলা ভাষা বাঙালী জাতির মাতৃভাষার মর্যাদা পায়, পায় আর্থ-রাজনৈতিক আন্দোলন ও জাতি গঠনের প্রেরণা। তারই পথ ধরে শুরু হয় বাঙালীর স্বাধীকার আন্দোলন। যে ধারাবাহিকতায় একাত্তরে নয় মাস পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।

একুশে ফেব্রুয়ারী একদিকে শোকাবহ হলেও এর অন্যদিকে রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। কারণ পৃথিবীর একমাত্র জাতি বাঙালী যাযরা ভাষার জন্য এদিন জীবন দিতে পেরেছিল।

শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতি একুশের মহান শহীদদের প্রতি আজ শ্রদ্ধা জানাবে।

বাংলাদেশনিউজ
২১.০২.২০১৭


Comments are closed.