>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

সিরিয়া যুদ্ধে তুরস্কের ট্যাংক বিপর্যয়

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

# আল-বাব যুদ্ধে দায়েশ আক্রমণে বিধ্বস্ত তুরস্কের আব্রাম ১ ট্যাংক

# আল-বাব যুদ্ধে দায়েশ আক্রমণে বিধ্বস্ত তুরস্কের আব্রাম ১ ট্যাংক

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে আলেপ্পো প্রদেশে অনুপ্রবেশের পর দায়েশ ও কুর্দিদের বিরুদ্দে যুদ্ধে তুরস্কের সেনাবাহিনী মারাত্মক খ্যাংক বিপর্য়য়ে পড়েছে। এ পর্যন্ত তুরস্কের ৫০টিরও বেশী ট্যাংক ঐ এলাকায় ধ্বংস বা অকেজো হয়েছে। এর মধ্যে ১৬টি আমেরিকায় তৈরী আব্রাম-১, ১২টি জার্মানীতে তৈরী লিওপার্ড-২ এবং বাকীগুলো তুরস্কের সিজ দেশে তৈরী। খবর একটি প্রতিরক্ষা ওয়েবসাইটের।

সিরিয়া যুদ্ধে যে সমস্ত ট্যাংক বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহৃত হচ্ছে সেগুলি পৃথিবীতে সর্বাধুনিক এবং যে কোন ট্যাংক বা সাঁজোয়া যান তার আক্রমণে বিপদাপন্ন বা ভারনারেবল। এ সত্য মেনে নিয়েও বলতে হয়, সিরিয়ায় স্থল যুদ্ধে ঠ্যাংক এবং সাঁজোয়া যান একটি বড় ভূমিকা পালন করছে। কিন্তু তুরস্কের ট্যাংকগুলি সে বিচারে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

আমেরিকার আব্রাম-১ টাংক আকারে বেশ বড় বিধায় পার্বত্য এলাকায় এটি চলাচলে এবং দিক পরিবর্তনে ধীর গতির। ফলে এর দ্রুতগতিোত আক্রমণের ক্ষমতা যেমন কম তেমনি খুব সহজে শতুর অস্ত্রের নিশানায় পরিণত হয়। অপরদিকে মরুভূমির বালুতে এটির গতি শ্লথ হয়ে আসে এবং একবার বালুতে দেবে গেলে আর নিজে বের হতে পারে না। অনেক সময় বালুর কারণে এর সেন্সরগুলো ঠিকমত কাজ করে না। সিরিয়া যুদ্ধে তুরস্ক আব্রাম-১ ট্যাংক নিয়ে এসব সম্যাই মোকাবিলা করেছে।

# আল-বাব যুদ্ধে দায়েশ আক্রমণে বিধ্বস্ত তুরস্কের লিওপার্ড-২ ট্যাংক, সামনে তুর্কি সেনাদের মৃতদেহ।

# আল-বাব যুদ্ধে দায়েশ আক্রমণে বিধ্বস্ত তুরস্কের লিওপার্ড-২ ট্যাংক, সামনে তুর্কি সেনাদের মৃতদেহ।

অপরদিকে জার্মান লিওপার্ড ট্যাংক সম্পর্কে যে ঢাক-ঢোল পেঠানো হয়, সিরিয়া যুদ্ধে তা সব ভূয়ো গল্প বলে প্রমাণিত হয়েছে। লিওপার্ড ট্যাংক ধ্বংস করা যায় না বলে যে ধারণাটি জার্মান ডিফেন্স ইনাডষ্ট্রি প্রচার করে থাকে তা মিথ্যা প্রমাণ করে দিয়েছে দায়েশ। এ ট্যাংক সাধারণ ট্যাংক বিধ্বসী অস্ত্র থেকেও নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম নয়। যুদ্ধ ক্ষেত্রে খুবই বিপদাপন্ন বা ভারনারেবল। ইতোমধ্যে সিরিয়া যুদ্ধে এ ট্যাংক নিয়ে তুরস্কের খুবই বাজে অভিজ্ঞতা হয়েছে।

বরং তুরস্কের নিজের তৈরী ট্যাংকই যুদ্ধ ক্ষেত্রে এবং পার্বত্য এলাকায় তুলনামূলকভাবে অনেকবেশী দ্রুত চলাচল, দিক পরিবর্তন ও ম্যানুভারেবিলিটির পরিচয় দিয়েছে। তবে এসব এলাকায় সব ধরণের ট্যাংকের সাথেই বুলডোজার থাকা খুবই জরুরী

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ২২.০১.২০১৬


Comments are closed.