>> ক্রাইষ্টচার্চে শেষ টেষ্টে মুশফিকুর রহিম ও ইমরুল কায়েস খেলতে পারছেন না >> সন্ত্রাসীদের টানেল বোমা হামলায় সিরিয়ার জেনারেল এবং ৮ সেনা নিহত >> রাজধানী ঢাকার নিজাম উদ্দিন রোডে ট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত >> মাদারীপুরে বাসা চাপায় একজন বৃদ্ধ নিহত

রমনার বটমূল হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শুরু

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

bangladesh-supreme-court-1রাজধানীর রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় হুজি নেতা মুফতি হান্নানসহ মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আট আসামির ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি আজ শুরু হয়েছে।

রবিবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই শুনানি শুরু হয়।

এদিন পেপার বুক উপস্থাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ শুনানি শুরু করেন। পেপারবুকে মামলার এজাহার, অভিযোগপত্র, বিচারিক আদালতের রায়সহ পূর্ণাঙ্গ বিবরণ থাকে।

২০০১ সালে রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় ১০ জন নিহত হয়।

এ ঘটনায় নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন সার্জেন্ট অমল চন্দ্র রমনা থানায় হত্যা ও বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন।

হুজির শীর্ষ নেতা মুফতি হান্নানসহ ১৪ জঙ্গিকে এই মামলায় আসামি করা হয়। এই মামলায় ২০১৪ সালের ২৩ জুন ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রুহুল আমিন রায় ঘোষনা করেন। রায়ে মুফতি হান্নানসহ আটজনের মৃত্যুদন্ড এবং ছয়জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত অন্যরা হলেন, আকবর হোসেন, আরিফ হাসান সুমন, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টুর ভাই মো. তাজউদ্দিন, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আবদুল হাই ও শফিকুর রহমান।

যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, পান শাহাদাত উল্লাহ জুয়েল, সাব্বির, শেখ ফরিদ, আব্দুর রউফ, ইয়াহিয়া ও আবু তাহের।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত তাজউদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম, আবু বকর, শফিকুর ও আবদুল হাই পলাতক।

আসামিদের ডেথ রেফারেন্সের সঙ্গে সাতজনের করা ছয়টি আপিলের শুনানি হবে। এর মধ্যে মুফতি হান্নান, আকবর হোসেন, সুমন, শাহদাত উল্লাহ ও আবু তাহের পৃথক আপিল করেছেন। শেখ ফরিদ ও মো. ইয়াহিয়া দুজন মিলে করেছেন একটি আপিল। পাশাপাশি মুফতি হান্নান, আকবর হোসেন ও সুমনের জেল আপিলও শুনানি হবে।

দীর্ঘ শুনানি শেষে এ মামলায় সিআইডির পরিদর্শক আবু হেনা মো. ইউসুফ ২০০৮ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

এর মধ্যে বিচারিক আদালতে হত্যা মামলায় রায় হলেও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলাটি এখনো বিচারাধীন রয়েছে।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ০৮.০১.২০১৬


মতামত দিন