>> দায়েশ ‘খেলাফতে’ রাশিয়ার বিমান হামলা ১২০ সন্ত্রাসী নিহত >> জম্মু-কাশ্মিরে হিজবুল নেতা সাবজারসহ নিহত ১০ বনধের ডাক হুররিয়াতের >> আফগানিস্তানে গাড়ি বোমা হামলায় নিহত ১৩ >> দিনাজপুরে ট্রাক ও পিক আপ ভ্যান সংঘর্ষে নিহত ৩

সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে কড়া জবাব ইরানের

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

bahram-qassemi-56ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বাহরাম কাসেমি বলেছেন, সন্ত্রাসীদের প্রতি সৌদি সরকারের সমর্থনের কারণেই মধ্যপ্রাচ্যে যত গোলযোগ সৃষ্টি হয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মাদ বিন সালমান ইরানের বিরুদ্ধে সম্প্রতি যে অভিযোগ এনেছেন তা নাকচ করতে গিয়ে কাসেমি এ মন্তব্য করেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন ম্যাগাজিন ফরেন অ্যাফেয়ার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহাম্মাদ বিন সালমান অভিযোগ করেছেন- ইরান অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে, সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করছে এবং অন্য দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করছে। একইসঙ্গে তিনি ইরানের দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণ পরিবর্তন করারও আহ্বান জানান।

কাসেমি শনিবার পরিষ্কার করে বলেন, তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে সৌদি আরব জোরালো সমর্থন দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে গোলযোগ সৃষ্টি করেছে। বিশ্ব শান্তি ও ঐক্যের জন্য তিনি সৌদি আরবকে দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সৌদি আরবে যে ওয়াহাবি মতবাদের চর্চা হয়, নিঃসন্দেহে তার মধ্যেই তাকফিরি সন্ত্রাসবাদের শেকড় গেঁথে রয়েছে।

ইরানের মুখপাত্র বলেন, আরব দেশ সিরিয়া, ইরাক ও ইয়েমেনে রক্তক্ষয়ী অপরাধ করে চলেছে সৌদি আরব; পাশাপাশি ইসরাইলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে মুসলিম বিশ্ব বিশেষ করে আরব বিশ্ব ও ফিলিস্তিনের জনগণের সঙ্গে দেশটি বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।

সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সাম্প্রতিক অভিযোগের জবাবে বাহরাম কাসেমি বলেন, এ ধরনের নির্জলা মিথ্যা দোষারোপের রাজনীতির পরিবর্তে সৌদি কর্মকর্তাদের উচিত তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো।

সৌদি আরব যখন দারিদ্রপীড়িত ইয়েমেনে প্রায় দুই বছর ধরে সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে আসছে এবং ইরাক ও সিরিয়ায় তাকফিরি সন্ত্রাসীদেরকে নগ্নভাবে সমর্থন দিচ্ছে তখন মোহাম্মাদ বিন সালমান ইরানের বিরুদ্ধে এসব উদ্ভট অভিযোগ করেছেন। পাশাপাশি বাহরাইনের জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দমনের জন্য কয়েক বছর আগেই সৌদি আরব সেখানে সেনা, ট্যাংক ও সাঁজোয়া বহর পাঠিয়েছে।

ইয়েমেনে সৌদি আগ্রাসনে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ১১,৪০০ বেসামরিক মানুষ মারা গেছে। এছাড়া, সৌদি হামলায় হাসপাতাল, স্কুল ও খাবার তৈরির কারখানাসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। গত বছর জাতিসংঘ দেশটিকে শিশু হত্যার অভিযোগে কালো তালিকাভুক্ত করলেও পরে সৌদি আরব ও তার মিত্র আমেরিকার চাপে সে তালিকা থেকে সৌদি আরবের নাম বাদ দেয়া হয়।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ০৮.০১.২০১৬


Comments are closed.