>> কোথাও কোথাও মাঝারি ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে >> স্পেনের বার্সেলোনায় পথচারীদের উপর ভ্যান নিহত ১৩ আহত ৫০ >> সিরিয়ায় মার্কিন জোটের বিমান হামলায় ৬ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত

নববর্ষ ও থার্টি ফাস্ট নাইট উপলক্ষে রাজধানীতে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

asaduzzaman-dmp-1ঢাকা মহানগর পুলিশের(ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, ইংরেজি নববর্ষ ও থার্টি ফাস্ট নাইট উপলক্ষে রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন,ওইদিন রাতে রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলার স্বার্থে রাস্তার মোড়, ফ্লাইওভার, রাস্তায় এবং প্রকাশ্যে কোন ধরণের জমায়েত,সমাবেশ ও উৎসব করা যাবে না।

তিনি বৃহস্পপতিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টুরোডস্থ ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন।

এসময় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার মো: মনিরুল ইসলাম, পুলিশের রমনা জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার, ট্রাফিক উত্তর ও দক্ষিণের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন,ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় নগরবাসী স্বতঃস্ফুর্তভাবে বিভিন্ন আনন্দ উৎসবে অংশগ্রহণ করবে। পূর্ববর্তী বৎসরগুলোর অভিজ্ঞতার আলোকে দেখা যায়, এ আনন্দ উৎসব উদযাপনের নামে কিছু উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি নিজস্ব সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যবিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে থাকে।

কিছু সংখ্যক ব্যক্তির নেতিবাচক কর্মকান্ডের কথা উল্লেখ করে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, কতিপয় ব্যক্তি আনন্দের আতিশয্যে পটকাবাজি, আতশবাজি, অশোভন আচরণ, বেপরোয়া গাড়ি ও মোটর সাইকেল চালানোর মাধ্যমে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা/দূর্ঘটনা ঘটিয়ে অনাকাংক্ষিত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটায়। এ সকল নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থী কর্মকান্ড একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করে, অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা সৃষ্টি করে।

তিনি বলেন, আগামী ৩১ ডিসেম্বর শনিবার রাতে পটকাবাজি, আতশবাজি, বেপরোয়া গাড়ি, মোটর সাইকেল চালনাসহ যে কোন ধরণের অশোভন আচরণ এবং বেআইনী কার্যকলাপ হতে বিরত থাকতে হবে।

নগর পুলিশের প্রধান বলেন, রাজধানীর নিরাপত্তার স্বার্থে উন্মুক্ত স্থানে কোন ধরণের অনুষ্ঠান বা সমবেত হওয়া যাবেনা। এছাড়া গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত নাগরিকবৃন্দকে ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে নিজ নিজ এলাকায় ফিরে যেতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর বহিরাগত কোন ব্যক্তি বা যানবাহন প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।

তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের গাড়ী নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে নীলক্ষেত এবং শাহবাগ ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন,গুলশান এলাকায় জন্য কাকলী ক্রসিং এবং আমতলী ক্রসিং উম্মুক্ত থাকবে। তবে নির্ধারিত সময়ের পর পরিচয় দিয়ে এ দু’টি ক্রসিং দিয়ে প্রবেশ করতে হবে।

তিনি বলেন, ওই সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে নাগরিকবৃন্দকে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যে সকল নাগরিক বসবাস করেন না তাদেরকে ওইসব এলাকায় গমনের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হলো।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাত ৮টার পর হাতিরঝিল এলাকায় কেউ অবস্থান করতে পারবে না। একই সঙ্গে নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে উন্মুক্ত স্থানে নাচ,গান বা কোন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না এবং কোথাও আতশবাজি বা পটকা ফুটানো যাবে না।

৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে ১ জানুয়ারি ২০১৭ ভোর ৫ টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেঁস্তোরা, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সকল প্রকার লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান ডিএমপি কমিশনার।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ২৯.১২.২০১৬


Comments are closed.