>> জর্দানে ইসরাইলি দূতাবাসে হামলা গুলিতে একজন নিহত >> এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর পাশের হার ৬৮.৯১ >> আফগানিস্তানে বিমান হামলায় ১৩ জঙ্গি নিহত ৩ জন আহত >> ইসরাইলি বর্বরতায় পশ্চিম তীরে আরও ২ ফিলিস্তিনি নিহত

আশকোনা বাড়ী ভাড়া নেয়া মোহাম্মদ ইমতিয়াজই কি মূসা?

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

ashkona-militant-denশ্যামবর্ণ, দীর্ঘদেহী, স্বাস্থ্যবান, শ্মশ্রুমণ্ডিত মুখমণ্ডল এবং চোখে চশমা পড়া এক ব্যক্তি মোহাম্মদ ইমতিয়াজ। তিনিই গত সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকার আশকোনায় সূর্য ভিলা নামক নবনির্মিত ত্রিতল ভবনটির নিচ তলার ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন। বাড়িওয়ালার মেয়ে জোনাকি রাসেল তার কাছে ফ্ল্যাটটি ভাড়া দেন। জোনাকী বাড়িটির দেখভাল করেন, তার পিতা প্রবাসী। জোনাকি রাসেল নিজে অবশ্য ওই বাড়িতে থাকেন না, তিনি থাকেন পাশেই তার শ্বশুরালয়ে। সূর্য ভিলার তিন তলায় থাকেন তার মা এবং এক বোন। জোনাকী মোহাম্মদ ইমতিয়াজের চেহারার এই বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, মি. ইমতিয়াজের স্ত্রী, চল্লিশ দিন বয়স্ক সন্তান এবং আরেক মহিলা – মোট চার জন থাকার কথা ফ্ল্যাটটিতে।

তিনি জানান, বাসা ভাড়া নেয়ার শর্ত হিসেবে সবার জাতীয় পরিচয়পত্র সরবরাহ করেন মি. ইমতিয়াজ। এসব কাগজপত্র ও তাদের পূরণ করা ভাড়াটিয়া ফর্ম যথারীতি থানায় জমাও দেয়া হয়েছে। নেয়ার পর তারা যথাসময়ে বাসায় ওঠেন। কিন্তু কখনো খুব একটা বাইরে বের হতেন না।

জোনাকী বলেন, “আমি যতবার গেছি তখন ছোট বেবি আর ওয়াইফটাই ছিল”।

যে কিশোরটি পুলিশী অভিযান বাসার মধ্যে নিহত হয়েছে, তাকে কখনো দেখেননি বলে জানান তিনি, এমনকি যে মহিলা আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণে নিহত হয়েছে তাকেও তিনি দেখেননি। তবে মোহাম্মদ ইমতিয়াজের সঙ্গে অনেকবারই দেখা হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

কিন্তু শনিবারের অভিযানের পর ওই ভবনটিতে মারা যাওয়া বা গ্রেপ্তার হওয়া কারো মধ্যে জোনাকি রাসেলের বর্ণনা করা এই মোহাম্মদ ইমতিয়াজ নেই। বোঝাই যাচ্ছে, সে ভাড়াটিয়া হিসেবে যে পরিচয়পত্র সরবরাহ করেছে সেটি জাল ছিল। আর ওই ফ্ল্যাটটিকে বিভিন্ন সময় নিহত অভিযুক্ত জঙ্গিদের স্ত্রী ও সন্তানদের একটি আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যাবহার করা হত, যেটির ব্যবস্থাপনায় ছিল এই কথিত মোহাম্মদ ইমতিয়াজ ।

কিন্তু সে আসলে কে? আর কোথায়ই বা গেল?

ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম বলেছেন, “আমরা যাকে খুঁজছি, নব্য জেএমবির আরেকজন নেতা, মুসা, সে-ই ইমতিয়াজ নাম নিয়ে বাসাটি ভাড়া নিয়েছিল”।

এ ব্যাপারে কিছু গোয়েন্দা তথ্যও পুলিশের কাছে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেই তথ্যের ভিত্তিতেই এখন অভিযান চালানো হচ্ছে।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ২৫.১২.২০১৬


Comments are closed.