>> দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে >> মার্কিন বিমান হামলায় সিরিয়ায় আবার ২৮ বেসামরিক নাগরিক নিহত >> ঈদের পরদিন ইয়েমেনে আবার সৌদি বিমান হামলায় নিহত ১০ >> খাগড়াছড়িতে বাস উল্টে মা ও শিশুসহ নিহত ৩ আহত ১৩ >> গোপালগঞ্জে পিক-আপ উল্টে নিহত ১ আহত ৮

শ্রমিকদের প্রতিশ্রুতি পেলেই কারখানা খুলে দেয়া হবে

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

garments-factory-lockoutশ্রমিকরা সুষ্ঠুভাবে কাজ করার প্রুতিশ্রুতি দিলে আশুলিয়ায় বন্ধ কারখানা খুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন রফতানিমূখী তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান।

তিনি বলেন,‘পোশাক শিল্পকে ধ্বংসের জন্য কিছু লোক সব সময় ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে।বর্তমানে আশুলিয়ার আন্দোলনও সেই ষড়যন্ত্রের একটা অংশ। শ্রমিক আমাদের; সুতরাং তাদের সুখ-দুঃখের দিকে খেয়াল রাখাও আমাদের কর্তব্য।তাদের প্রতি অন্য কেউ আমাদের থেকে বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার কথা না।তবু অনেকেই নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য লোক দেখানো মায়া কান্না করে।’

শনিবার রাজধানীর বিজিএমইএ ভবনে ‘চেঞ্জিং জেন্ডার নর্মস অব গার্মেন্টস এমপ্লয়ার্স’ শীর্ষক ২ বছর মেয়াদী প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয় আয়ের (জিডিপি) ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অবদানের কথা উল্লেখ করে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন,‘পোশাক খাত থেকে যে জিডিপি অর্জিত হয়; তার পেছনে সব থেকে বেশি অবদান এ খাতের ৪০ লাখ শ্রমিকের। যারা এসব শ্রমিকদের বিভ্রান্তিমূলক কাজে লেলিয়ে দিচ্ছেন-তারা কত বড় ভুল করছেন সে ব্যাপারে তাদের কোনো ধারণা নেই।’

শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন,‘আপনার অন্যের দ্বারা বিভ্রান্ত না হয়ে শৃঙ্খলার সঙ্গে কাজে ফিরে আসুন। আপনাদের জন্য কারখানা খুলে দেওয়া হবে।তাতে দেশ,আপনার এবং আমরা অর্থাৎ সবারই উপকার হবে।’

‘চেঞ্জিং জেন্ডার নর্মস অব গার্মেন্টস এমপ্লয়ার্স’ প্রকল্পের বিষয়ে সিদ্দিকুর রহমান জানান,জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) সহায়তায় প্রকল্পটি ২০১৪ সালের অক্টোবরে প্রকল্পটি শুরু হয়।
আশুলিয়া,সাভার ও গাজীপুরে ২৪টি, নারায়নগঞ্জে ৮টি এবং চট্টগ্রামে ৮টিসহ মোট ৪০টি পোশাক শিল্প কারখানায় এ প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।এর মাধ্যমে নারীর প্রতি আচরণ পরিবর্তন ও সব শ্রমিকের সমন্বয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য সবাইকে সচেতন করা হয়।

প্রকল্পটি আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। মূলত প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার মাধ্যমে এর শুভ সূচনা হবে। এই প্রকল্প আমাদের যা দিয়েছে তা কেবল ৪০টি কারখানায় সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না; দেশের সব কারখানায় ছড়িয়ে দিতে হবে বলে বিজিএমইএ সভাপতি উল্লেখ করেন। তবেই ২০২১ সালে ৫০ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অজর্ন সম্ভব হবে।

এসময় প্রকল্প পরিচালক মহসিন উদ্দিন আহমেদ,উপ-পরিচালক জগলুল হায়দার, ইউএনএফপিএর প্রতিনিধি রুমানা পারভিন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ২৪.১২.২০১৬


Comments are closed.