>> নায়করাজ রাজ্জাকের দাফন আজ সকাল ১০টায় >> নারায়নগঞ্জ ৭ খুন মামলায় নূর হোসেন তারেক সাঈদসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডেশ বহাল >> আইন সচিব জহিরুল হকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ তিন মাস স্থগিত : হাইকোর্ট >> কোথাও কোথাও মাঝারি ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে >> পাবনায় দুই বাসের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত ১৫ জন আহত

জানুয়ারি থেকে পোশাক শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ড

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

garments-worker-at-work২০১৭ জানুয়ারি থেকে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের সরকারিভাবে প্রভিডেন্ট ফান্ডের আওতায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মজিবুল হক। চাকরি থেকে অবসরে গিয়ে নিরাপদ জীবন-যাপনের জন্যই শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের আওতায় আনা হচ্ছে উল্লেখ করেন তিনি।

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জানুয়ারি থেকে প্রতি বছর এক লাখ শ্রমিককে প্রভিডেন্ট ফান্ডের আওতায় আনা হচ্ছে। এই ফান্ডে শ্রমিকরা মাসে ২০০ টাকা করে জমা দেবে এবং সরকারও এই ফান্ডে সমপরিমাণ অর্থ দেবে। যদি কোনো শ্রমিক মারা যায় তাহলে দুই লাখ টাকা এবং প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অবস্থায় মারা গেলে তিন লাখ টাকা দেওয়া হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা নারী উদ্যোগ কেন্দ্র আয়োজিত ‘পোশাক শিল্প ও শ্রমিকদের ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

সংগঠনের সভাপতি তাহিয়া খলিলের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম, বিআইডিএসের সাবেক জ্যেষ্ঠ গবেষক ড. প্রতিমা পাল মজুমদার, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাসিমা হোসেন, কানাডিয়ান হাইকমিশনের পরামর্শক সিলভিয়া ইসলাম, সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক মাশহুদা খাতুন শেফালী প্রমুখ।

ট্রেড ইউনিয়নগুলোতে নারী নেতৃত্ব বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ট্রেড ইউনিয়নগুলোতে নারী নেতৃত্ব তেমন লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। অথচ গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন সেক্টরে নারী শ্রমিকের সংখ্যাই বেশি। নারীদের কথা নারীদেরকেই বলতে হবে। তাই সরকারসহ বিভিন্ন ফোরামে কথা বলার জন্য নারী নেতৃত্ব বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি।

প্রতিমন্ত্রী এ সময় পোশাক শ্রমিকদের প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, আগে গার্মেন্টসে কাজ করলে নারী শ্রমিকদের ভিন্ন দৃষ্টি নিয়ে মানুষ তাকাত। কিন্তু সরকার এখন তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর ফলে এখন আর আগের অবস্থা নেই। তাদের সামাজিক মর্যাদা ও সম্মান অনেকাংশে বেড়ে গেছে।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বেতন-ভাতা বৃদ্ধি পাওয়ায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের সামাজিক ক্ষমতায়ন হয়েছে। পাশাপাশি তাদের বাড়িভাড়া বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় নানা ক্ষেত্রে তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ ব্যাপারে তাদের আবাসন সমস্যার সমাধানসহ অন্যান্য সুবিধাদির ব্যাপারে মালিকদের সহযোগিতার হাত প্রসারিত করতে হবে।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ১৫.১২.২০১৬


Comments are closed.