>> সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে হাওড়ের মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ >> সুনামগঞ্জের পাকনা হাওড়ের বাঁধ ভেঙে কয়েক হাজার হেক্টর জমির ধান তলিয়ে গেছে >> দেশের অভ্যন্তরীণ নদী-বন্দরসমূহের জন্য ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত >> ভারতের ঝাড়খন্ডে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ৮ আহত ৫৫

আগে জনসাধারণের চিকিৎসা পরে প্রাইভেট প্রাকটিস

স্বাস্থ্যডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

nasim-72স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, সরকারি নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের আগে দেশের জনসাধারণের চিকিৎসা করতে হবে,পরে প্রাইভেট প্রাকটিস করবে।

তিনি বলেন, যারা তাদের দায়িত্বে অবহেলা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মঙ্গলবার বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) ভবনে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মেডিকেল অফিসার (নন-ক্যাডার) পদে নিয়োগকৃতদের যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

নতুন মেডিকেল অফিসারদের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি গ্রামে তাদের কর্মস্থল থাকতে পারেন তাহলে চিকিৎসকরাও মানুষের সেবায় গ্রামে গিয়ে থাকতে পারবেন। সেবার মর্যাদা রক্ষায় সবার আগে তাদের কাজ করে যেতে হবে।

তিনি বলেন, চিকিৎসা মহান পেশা। এটি দাম দিয়ে কেনা যায় না। কোন চিকিৎসকের কোথায় পদায়ন হবে এই চর্চা না করে চিকিৎসাসেবার মতো মহান পেশায় নিজেকে নিয়োজিত করার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালিক বক্তৃতা করেন।

এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিএমএ সভাপতি প্রফেসর মাহমুদ হাসান, বিএমএ’র সেক্রেটারী ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ইকবাল আর্সালান ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

বক্তারা বলেন, দেশে ১৮ বছরের আগে যদি কন্যা শিশুর বিয়ে বন্ধ করা যায় তবে, কোন বিনিয়োগ ছাড়াই দেশে মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ৭০ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে।

তারা বলেন, ১৯ বছর থেকে ৩৪ বছর পর্যন্ত সময়টা নারীর গর্ভধারণের উপযুক্ত সময়। অথচ আমাদের দেশে এর আগেই বিপুল সংখ্যক মেয়ে গর্ভধারণ করে, ফলে এই বড় একটা অংশকে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতির আওতায় আনার ব্যবস্থা করতে হয়।

আঠারো বছরের আগে বাল্য বিয়ে বন্ধ হলে দেশ অনেক নারীর অনেক স্বাস্থ্যসংকট থেকে বেড়িয়ে আসতে পারবে বলেও উল্লেখ করেন তারা।

কোন দেশের সার্বিক উন্নয়নে স্বাস্থ্য ও শিক্ষার কোন বিকল্প নেই এ কথা উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে স্বাস্থ্যসেবার মান বেড়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। দেশে মাতৃ ও শিশুমৃত্যুও হার কমে এসেছে।

উল্লেখ্য, সারাদেশে ৩২২ জন মেডিকেল অফিসার (নন-ক্যাডার) যোগদান করেছেন।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ০৬.১২.২০১৬


Comments are closed.