>> শনিবার সকালে উত্তর কোরিয়া আবার ব্যালিষ্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে >> বিচার প্রার্থীদের প্রতি আরো মানবিক হতে বিচারক ও আইনজীবীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান >> ৪৭ দিন পর হিমালয় থেকে জীবন্ত উদ্ধার নিখোঁজ অভিযাত্রী >> ঝালকাঠিতে পিস্তল ও গুলিসহ ১ জন আটক >> কুমিল্রায় মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনায় দুই ভাই নিহত

নিউইয়র্কে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

rabindra-nazrulজাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন ও নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের যৌথ উদ্যোগে শনিবার কনস্যুলেট জেনারেল অফিসের অডিটরিয়ামে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৫তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৭তম জন্মবার্ষিকী যৌথভাবে উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী। বাংলা সাহিত্যের এই দুই নক্ষত্রের অসাধারণ সাহিত্য কর্মের উল্লেখ করে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, সমস্যাসংকুল পৃথিবীতে তাদের লেখনী শান্তির সুবাতাস বইয়ে দিচ্ছে। সার্বজনীনতা এবং ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনা এ দুই বরেণ্য কবির লেখনীতে অত্যন্ত পরিস্ফুট। বিশ্বে ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা এবং জঙ্গীবাদের মোকাবেলায় তাদের লেখনী আমাদের প্রেরণা যোগাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল মো. শামীম আহসান তার বক্তব্যে আমাদের সমাজে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের অবদান সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কলকাতার পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঢাকা নিয়ে আসেন এবং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ও জাতীয় কবির মর্যাদা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে দুই কবির উপর তথ্যসমৃদ্ধ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট নজরুল বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানী ড. গুলশান আরা এবং কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এশিয়ান এন্ড মিডল ইস্টার্ণ কালচার বিভাগের প্রফেসর ও চেয়ারম্যান ড. র‌্যাচেল ম্যাকডোরমেট।

তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলাম দু’জনই সৃষ্টিশীল মানুষ। তারা তাদের গান, কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প ও নাটক রচনার মাধ্যমে সমাজকে আলোকিত করেছেন।

শ্রোতা-দর্শকের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বিখ্যাত সংগীত শিল্পী কাদেরী কিবরিয়ার উপস্থিতি এবং গান। এছাড়া স্থানীয় শিল্পী শবনম আবেদীন নজরুল সংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানটিতে স্থায়ী মিশন ও কনস্যুলেটের কর্মকর্তা ও কর্মচারিগণ, তাদের পরিবারের সদস্যগণ গান, কবিতা, নাটক, নৃত্যসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা প্রদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ করেন। আমন্ত্রিত অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশী খাবারে আপ্যায়ন করা হয়।
নিইউয়র্কের জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় একথা বলা হয়।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ০৪.১২.২০১৬


Comments are closed.