>> ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৬০ কিলোমিটার যানজট >> লিবিয়ায় জাহাজের কন্টেইনার থেকে ১৩ অভিবাসন প্রত্যাশীর লাশ উদ্ধার >> টাঙ্গাইল মির্জাপুরে গরু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

গুড়া রক্ত তরল দেহত্বক যুদ্ধক্ষেত্রে মার্কিন সেনার প্রাণ রক্ষা করবে

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

powder-blood-liquid-skin-us-soldierমার্কিন সেনাবাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সেনার চিকিৎসার জন্য গুড়া রক্ত এবং তরল দেহত্বক উদ্ভাবন করেছে। বিশ্বজুড়ে আগ্রাসী তৎপরতা বাড়ানোর অংশ হিসেবে যুদ্ধক্ষেত্রে চিকিৎসা সেবার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটাতে তৎপর হয়ে উঠেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।

অত্যাধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সরাসরি রণক্ষেত্র পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সুফল পেয়েছে মার্কিন সেনাবাহিনী। আফগানিস্তান এবং ইরাক আগ্রাসন এবং দেশ দখল করে রাখার পর্যায়ে মার্কিন সেনাদের নিহত হওয়ার সংখ্যা এতে উল্লেখযোগ্য ভাবে কমানো সম্ভব হয়েছে। আহত সেনাকে রণক্ষেত্রেই দ্রুত এবং গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে ভিয়েতনামে মার্কিন বাহিনী ব্যাপক হারে নিহত হওয়া ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকানো গেছে বলে মনে করছে পেন্টাগন।

এ বারে, রণক্ষেত্রের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও এগিয়ে নিতে চাইছে মার্কিন ইন্সটিটিউট অব সার্জিক্যল রিসার্চ। সাধারণ ভাবে রক্তকে সুনির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হয়। রক্তে যেন অক্সিজেন থাকে সেটি নিশ্চিত করতেই একান্ত ভাবে এর প্রয়োজন রয়েছে। রণক্ষেত্রে এমন তাপমাত্রা বজায় রাখতে হাঙ্গামা পোহাতে হয়। তাই পাউডার বা গুড়া রক্ত তৈরির দিকে ঝুঁকেছে মার্কিন বাহিনী। তরল পদার্থের সঙ্গে মিশিয়ে নিলেই এটি আহত সেনাকে দেয়ার উপযোগী রক্ত হয়ে উঠবে। এ ছাড়া, স্প্রে বোতলে থাকবে কৃত্রিম দেহত্বক। এতে রণক্ষেত্রে আহত সেনাকে প্রয়োজনীয় অপারেশন করার কাজ সহজেই সারা যাবে। এ জন্য অনেক যন্ত্রপাতির আর প্রয়োজন পড়বে না বলে মনে করা হচ্ছে।

এ ছাড়া, মাত্রাতিরিক্ত রক্তপাত বন্ধে আহত সেনা যেন মেডিক্যাল ফোম বা জেল ইনজেকশনের মাধ্যমে নিজ দেহে ঢুকাতে পারে সে জন্য নতুন প্রযুক্তি নিয়েও কাজ চলছে।

পাশাপাশি, রণক্ষেত্রে চিকিৎসা সেবা দেয়া এবং নেয়া সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। সেনাদের সঠিক প্রশিক্ষণ ছাড়া পুরো কার্যক্রম অচল হয়ে পড়বে।

সব মিলিয়ে চিকিৎসা এবং বিজ্ঞানকে আগ্রাসনের স্বার্থে ব্যবহারের জোর তৎপরতাকে আরো জোরদার করে তুলেছে মার্কিন সেনাবাহিনী।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, ৩০.১১.২০১৬


Comments are closed.