>> ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট চলছে >> সিলেটে পাঁচতলা জঙ্গী আস্তানা ঘিরে রেখেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী >> ময়মনসিংহে ট্রাক সড়কের গর্তে পড়ে ১০ জন নিহত >> লন্ডন হামলাকারী জন্মসূত্রে ব্রিটিশ নাগরিক >> দু’টি মার্কিন বিমান হামলায় মসুলে ২৩০ জন নিহত >> ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর গুলিতে ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত

নড়াইলে দুর্গাপূজার শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

শরিফুল ইসলাম, বাসস

narail-durgaব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আর একদিন পরই শুরু হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। আর শেষ সময়ে প্রতিমাকে সাজানোর কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন প্রতিমা শিল্পীরা। পাশাপাশি মন্ডপের প্যান্ডেলগুলোকেও সাজানো হচ্ছে সাধ্যমত।

ভক্তরা প্রতিমা এবং প্যান্ডেল দেখে খুশি হলেই সার্থক হবেন এসব শিল্পীরা। সকাল থেকে গভীররাত পর্যন্ত কাজ করছেন। চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি। এদিকে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে পূজা মন্ডপগুলোতে।

মৃৎশিল্পী মিলন পাল বলেন, আমরা প্রতিটি বছর এ সময়টার জন্য অপেক্ষায় থাকি শারদীয় দুর্গাপূজা এলে আমাদের হাতে অনেক কাজ থাকে। সারা বছরের খরচ আমরা এখান থেকেই পেয়ে থাকি।

অধির পাল বলেন, ৪/৫ জনের এক একটি দল এই পূজার সময় ৭ থেকে ৮ টি পর্যন্ত মন্ডপে প্রতিমা তৈরি করে থাকি। এক একটি প্রতিমা তৈরি করতে প্রকার ভেদে ১৫ হাজার থেকে শুরু করে ৭০/৮০ হাজার টাকায় প্রতিমা তৈরি করছি।

মৃৎশিল্পী শিল্পী অপূর্ব জানিয়েছেন, মাটির জিনিস তৈরি করে বিক্রি করি বিশেষ করে পূজা এলে আমাদের দম ফেলবার সময় থাকে না সকাল থেকে গভীরাত পর্যন্ত কাজ করে সম্পন্ন করা হয়েছে প্রতিমার কাজ।

মৃৎশিল্পী তপন কুমার পাল জানান, অনেক পরিশ্রম করে প্রতিমা তৈরি করেছি এগুলো দেখে ভক্তরা খুশি হলেই আমাদের কষ্ট সার্থক হবে।

মৃৎশিল্পী মিলন পাল জানান, দিন-রাত পরিশ্রম করে প্রতিমা তৈরি করছি এখন শেষ সময়ে দেখে নিচ্ছি কোথাও কোন ত্রুটি আছে কিনা। আশা করছি পূজারীরা প্রতিমা দেখে আনন্দ পাবে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ কার্যলয় সূত্রে জানা গেছে, ৫শ’ কেজি করে জেলার প্রতিটি পূজামন্ডপে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। জেলার মোট ৫শ’ ৭২টি মন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ২৪০, কালিয়া উপজেলায় ১৭৩ এবং লোহাগড়া উপজেলায় ১৫৯টি পূজামন্ডপে এ পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য জেলায় মোট ২৮৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অশোক কুমার কুন্ডু জানান, সরকারের পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গাপূজা ভালভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে মন্ডপপ্রতি ৫শ’ কেজি করে চাল বরাদ্দ দিয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি পূজামন্ডপে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতিটি পূজামন্ডপে আনসার, গ্রাম পুলিশ, পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গেয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাবের টহল থাকবে। শান্তিপূর্ণভাবে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা সম্পন্ন হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলাদেশনিউজ
০৫.১০.২০১৬


Comments are closed.