>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

রাশিয়ার পক্ষে সম্ভব হবে কী করে?

সম্পাদকীয়ডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

SU 34গত ১৬ জুন বৃহস্পতিবার জর্দান সীমান্তে সিরিয়ায় সন্ত্রাসীদের ওপর রাশিয়ার এসইউ-৩৪ জঙ্গী বিমান বোমা বর্ষণ করলে সন্ত্রাসীরা কুয়েতে আমেরিকার নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে বার্তা পাঠায়। রাশিয়ার বিমান হামলা চালিয়ে চলে আসার পর, আমেরিকার দু’টি এফ-১৮ জঙ্গিবিমান সেখানে আসে। রাশিয়ার বিমান না দেখে সেগুলো ফিরে যায়। তবে তাদের আগমন রাশিয়ার পর্যবেক্ষণে ধরা পড়ে।

এরপর রাশিয়ার বিমান আবার সেখানে গিয়ে বোমা হামলা চালায়, কিন্তু আমেরিকার বিমান আর আসেনি। ঐদিনই বিকেলে আবার রাশিয়ার বিমান সেখানে বিমান হামলা চালায়। তখনও আমেরিকার বিমান আসেনি। রাশিয়ার এসব হামলায় কথিত আমেরিকান সমর্থিত সন্ত্রাসীদের কমপক্ষে ২ জন মারা যায় এবং ডজন খানেক আহত হয়। এছাড়া তাদের অনেক সামরিক সরঞ্জাম ও স্থাপনা ধংস হয়।

জর্দান সীমান্তের ঐ এলাকায় সন্ত্রাসী গ্রুপটির ২০০ সন্ত্রাসী অবস্থান করছিল যাদেরকে রাশিয়ার কাছে আমেরিকা “মডারেট” বিদ্রোহীদের ‘সীমান্ত গ্যারিসন’ বলে অভিহিত করেছে। রাশিয়ার এ বোমা হামলার ঘটনায় আমেরিকা উদ্বেগ প্রকাশ করে।

ঘটনার পরদিন শুক্রবার রুশ ও মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সের সময় রাশিয়ার কর্মকর্তারা আমেরিকা সমর্থিত কথিত মডারেট বিদ্রোহীদের অবস্থান ও নিয়ন্ত্রিত এলাকার একটি ম্যাপ দেয়া জন্য মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রতি পুনরায় আহবান জানান। আমেরিকার কর্মকর্তারা বরাবরের মত বলেন, এটা সম্ভব নয়।

রাশিয়ার কর্মকর্তারা বলেন, তাহলে পুরো সিরিয়া জুড়ে কোথায় সন্ত্রাসী এবং কোথায় আমেরিকা সমর্থিত “মডরেট” তা তারা বুঝবেন কী করে!

তারা আরও বলেন, সন্ত্রাসী ও “মডারেট” এবং তাদের এলাকা পৃথকভাবে চিহ্নিত করার কাজটি যদি আমেরিকার পক্ষে সম্ভব না হয়, তবে সেটা রাশিয়ার পক্ষেই বা সম্ভব হবে কী করে?

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ কয়েকদিন আগে বলেছেন, আমেরিকা যে কোন ভাবে আল-নূসরাকে রক্ষা করতে চায়, ভবিষ্যতে আসাদ সরকারকে উৎখাত করার কাজে লাগানোর জন্য।

এ ঘটনার পর সিরিয়ার সন্ত্রাসীদের উপর রাশিয়ার বিমান হামলা আরও জোরদার হয়েছে, বিশেষ করে আলেপ্পো, রাকা, দেইর আজ-জোর এবং দামেস্ক প্রদেশে।

সূত্রঃ রাশিয়া ইনসাইডার অনলাইন

বাংলাদেশনিউজ
২০.০৬.২০১৬


Comments are closed.