>> দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে >> রংপুর পীরগঞ্জে ট্রাক উল্টে ঈদে ঘরমূখী ১৭ জন নিহত >> চীনের সিচুয়ান প্রদেশে জিনমো গ্রামে ভূমি ধ্বসে ১০০ মানুষ নিঁখোজ >> পাকিস্তানের পারাচিনারে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭ >> টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাকের মুখোমুখী সংঘর্ষে ৪ জন নিহত

যুদ্ধ সক্ষমতায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইরাক

সম্পাদকীয়ডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

Iraq mapআইএস বিরোধী যুদ্ধে ইরাক এখন আকাশে তার ক্ষমতার প্রমাণ দিতে শুরু করেছে। আগে পেয়েছিল রাশিয়ার কাছ থেকে এসইউ-২৪ ও এসইউ-২৫ যুদ্ধ বিমান এবং এমআই-২৪ এ্যাটাক হেলিকপ্টার। তার পর সাদ্দাম হোসেনের আমলে পালিয়ে ইরানে যাওয়া ৮টি এসইউ-২৪ যুদ্ধ বিমান ফিরিয়ে দেয় ইরান। এখন পেয়েছে চীনের কাছে থেকে গাইডেড মিসাইল সজ্জিত সশস্ত্র ড্রোন।

অবশ্য সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করা সত্বেও ইরাকের অর্ডারকৃত ৬৪টি এফ-১৬ বিমান দীর্ঘদিন ধরে সরবরাহ করেনি আমেরিকা। রাশিয়ান বিমান আসার পর তারা মাত্র ৪টি বিমান সরবরাহ করেছে।

মূলতঃ রাশিয়ার বিমান ও হেলিকপ্টার পেয়ে ইরাক সরকার আইএস এর হাতে বাগদাদের পতন ঠেকাতে এবং আইএস এর অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে সক্ষম হয়। তার পর শুরু হয় আমেরিকান কোয়ালিশনের সাথে ইরাকের মত বিরোধ। ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একাধিকবার প্রকাশ্যে বলেছেন, তাঁরা যেখানে আইএস এর সন্ধান পান, সেখানেই হামলা চালাতে আমেরিকা বাধা দেয়। কখনও সরাসরি, কখনও “বাড়তি তথ্য” সংগ্রহ করে “নিশ্চিত” হওয়ার নাম করে, আবার কখনও সুন্নী নেতাদের সাথে “ভারসাম্য রক্ষা”র নামে।

একারণে, সম্প্রতি ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আইএস এর উপর হামলা চালাতে রাশিয়াকে আহবান জানিয়েছেন এবং বলেছেন, রাশিয়া সম্মত হলে তাঁরা সরকারীভাবে আমন্ত্রণ জানাবেন এবং হামলার অনুমোদন দেবেন।

কিন্তু এর মধ্যেই চীন গাইডেড মিসাইল সজ্জিত সশস্ত্র ড্রোন সরবরাহ করায় ইরাকের যুদ্ধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েক গুণ। এখন আর ইরাক আমেরিকানদের বাধা মানছে না। ব্যাপক বিমান ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে আইএস এর উপরে। একই সাথে অনবার প্রদেশের রাজধানী রামাদি এবং সালাহউদ্দি প্রদেশে বেইজি তেল শোধনাগার পুনঃদখলের জন্য বড় ধরনের স্থল হামলা শুরু করেছে।

তাছাড়া রাশিয়া, ইরান ও সিরিয়ার সাথে যৌথ তথ্যকেন্দ্র স্থাপন করে ইরাক গোয়েন্দা তথ্যের ব্যাপারে বাড়তি সুবিধা পেতে শুরু করেছে এবং এরই মধ্যে এক দফা বাগদাদীর গাড়ি বহরে হামলা চালাতে সক্ষম হয়েছে।

ফলে সিরিয়ার মত ইরাকেও চাপের মুখে পড়েছে আইএস। তারা হয়তো মরণ কামড় দিতে চেষ্টা করবে, কিন্তু যুদ্ধ জয়ের আশা বা বাগদাদ দখলের স্বপ্ন এখন তাদের কাছে আকাশ কুসুম কল্পনা।

সিরিয়ার মত ইরাকেও আইএস এর চুড়ান্ত পরাজয় ঘটবে, সেটাই এখন বাস্তবতা। শুধু সময় কতটা লাগবে, সেটাই দেখার বিষয়।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, জের, ১৭.১০.২০১৫


Comments are closed.