>> শনিবার সকালে উত্তর কোরিয়া আবার ব্যালিষ্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে >> পরস্পর আন্তঃসংঘর্ষে সিরিয়ায় পূর্ব দামেস্কে ৪০ সন্ত্রাসী নিহত >> মিয়ানমারের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৯ আহত ২১ >> রাজধানী ঢাকায় ট্রাকচাপায় ২ জন নিহত >> আখাউাড়ায় ট্রাকচাপায় নিহত ১ আহত ৩ >> মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটর সাইকেল আরোহী নিহত

বিচার বিভাগের চাকরী তাকে মানায় না

BDN Editorialসতক্ষীরায় এক বিচারকের বাসা থেকে গৃহকর্মী এক কঙ্কালসার শিশুকে হাত-পা বাধা অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুধু কঙ্কালসার নয়, তার শরীর জুড়ে মার আর নির্যাতনের ক্ষত। বুঝাই যায় তাকে দীর্ঘদিন নিয়মিত খাবারও দেয়া হ’ত না। শিশুটি জানিয়েছে, বিচারক ও তার স্ত্রী দু’জনেই পিটিয়ে এবং না খেতে দিয়ে তার এ অবস্থা করেছে।

প্রথমতঃ মানব জন্ম নিয়ে কী ভাবে একজন মানুষ একটি মাসুম শিশুর প্রতি এমন নির্মম হতে পারে? দ্বিতীয়তঃ একই সাথে স্বামী ও স্ত্রী দু’জনই কেমন করে এমন নিষ্ঠুর অত্যাচারী হতে পারে? তৃতীয়তঃ স্বামী একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট। তার আদালতে কত নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষ ন্যায়বিচারের জন্য আসে, কতজন মিথ্যা মামলার জাল থেকে মুক্তি পেতে আসে। কিন্তু এমন একজন মানুষ যার মধ্যে কোন মানবতা নেই, মানবিকতা নেই, মনুষত্ব নেই, মমত্ববোধ নেই, সে কী ভাবে মানুষের ফরিয়াদ বুঝবে? তার পক্ষে কী ন্যায়বিচার করা সম্ভব?

আমাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কত বিশাল ফাঁক রয়েছে যে, এমন লোকেরাও বিচার বিভাগে বিচারকের চাকরী পেয়ে যায। কিন্তু দেশটি যদি চীন, ভিয়েতনাম, সুইডেন, নরওয়ে বা ফিনল্যাণ্ড হ’ত, তাহলে চাকরী পেলেও এ ঘটনার পর তার বিচারকের চাকরী কোনভাবেই থাকতো না।

তার মত একজন হৃদয়হীন নির্মম নির্যাতকের কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করা যায় না। বিচার বিভাগের চাকরী তাকে মানায় না।

বাংলাদেশনিউজ
২০.০৮.২০১৫


Comments are closed.