>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

যে কারনে মারকেলের সুর এত হতাশ

সম্পাদকীয়ডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

Merkelজার্মান চ্যান্সেলর বলেছেন, আমরা যদি গ্রিসকে হারাই পুরো ইউরোপকেই হারাবো। তিনি মনে করেন সবার ‘সদিচ্ছা’ থাকলে এখনও যে সময় আছে তার মধ্যে একটি সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

মারকেল এমন হতাশা ও সতর্কবাণী উচ্চারণ করলেও ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, আইএমএফ এবং ইউরোপের ঋণদাতা দেশসমূহ কোন ছাড় দিতে রাজি নয়। তাদের শেষ কথা হ’ল যা কিছু করার গ্রিসকেই করতে হবে, যা ছাড় দেয়ায় গ্রিসকেই দিতে হবে।

গ্রিসর বর্তমান বৈদেশক ঋণ আছে কমবেশী ৪১৮ বিলিয়ন ইউরো। এর মধ্যে আছে সরকারী বন্ড বিক্রি করে নেয়া অর্থ, দ্বিপাক্ষিক ঋণ, বেসরকারী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে নেয়া ঋণ, ‘অর্থনৈতিক পুনঃউদ্ধার ঋণ” বা বেইল আউট মানি, প্রভৃতি।

ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রিসকে দেয়া ঋনের গ্যারান্টর ইউরোজোনের দেশগুলো। গ্রিস যদি ইউরোজোন থেকে বেরিয়ে যায় এবং ঋণখেলাপী হয়ে ঋণ পরিশোধ করতে না পারে, তাহলে এ অর্থ ইউরোজোনের দেশগুলোকে পরিশোধ করতে হবে, তার মানে “রাইট অফ” করে দিতে হবে। পুরোটাই লস।

আবার গ্রিক সরকারের যে বন্ড ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, আইএমএফ এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ কিনেছে তার বিনিময় মূল্য কী হবে তা নির্ভর করতে ইউরোজোন থেকে বেরিয়ে যাওয়া গ্রিসের নতুন মূদ্রার মূল্যমানের উপর। এ ক্ষেত্রেও বিশাল লোকসান গণতে হবে।

তবে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে সব চেয়ে বড় লোকসান হবে জার্মানীর। কারণ, দুইবারের বেইল আউটের সময় জার্মানী দিয়েছে কমবেশী ৫৩ বিলিয়ন ইউরো। এছাড়া ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক, আইএমএফ এবং ইউরোপের দেশগুলো যৌথ ফাণ্ড সৃষ্টি করে যে অর্থ দিয়েছে তার সিংগভাগও জার্মানীর।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, জের, ৩০.০৬.২০১৫


Comments are closed.