>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

ইয়েমেন থেকে প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনতে জরুরী পদক্ষেপ প্রয়োজন

BDN Editorialইয়েমেনের পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ থেকে ভয়াবহতর দিকে যাচ্ছে। অনেক দেশ সেখান থেকে তাদের নাগরিকদের আগেই সরিয়ে নিয়েছিল। অনেক দেশ এই ভয়াবহতার মধ্যেই নাগরিকদের সরিয়ে নিয়েছে। অনেক দেশ প্রচন্ড ঝুঁকির মধ্যে এখনও নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে আনার কাজ করছে। যদিও নিরাপদে বিমান অবতরণ ও উড্ডয়নের মত কোন বিমানবন্দর এখন নেই। এর মধ্যে রাশিয়া কন্ট্রোল টাওয়ারের সাহায্য ছাড়াই বিমান অবতরণ করিয়ে নাগরিকদের উদ্ধারের কাজ অব্যাহত রেখেছে।

দেশটিতে বাংলাদেমের কোন দূতাবাস নেই। অথচ সেখোনে চার থেকে ছয় হাজারের মত প্রবাসী বাংলাদেশী রয়েছেন। তারা সৌদি বিমান হামলার আগে থেকেই তাদেরকে উদ্ধারের আকুতি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু ভারতের নাগরিকদের উদ্ধারের সময় বাংলাদেশের কিছু নাগরিকদের উদ্ধার করা ছাড়া আর কিছু করা সম্ভব হয় নি। ভারতের দ্বারা যারা ইয়েমেন ত্যাগ করতে পেরেছেন তাদের সংখ্যাও পাঁচ শতের কম। এদিকে বাংলাদেশ সৌদি আরবের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন ঘোষণা করে হুথি সমর্থকদের সহযোগিতা পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। অথচ ভূ-খন্ডগতভাবে দেশটির নব্বই ভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে হুথি সমর্থক যৌথ বাহিনী ও উপজাতীয় যোদ্ধারা।

বেশীর ভাগ দেশই তাদের নাগরিকদের সরাসরি বিমানে করে বা জাহাজে লোহিত সাগরের ওপারে আফ্রিকার দেশ জিবুতিতে নিয়ে সেখান থেকে বিমানে করে দেশে নিয়ে এসেছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশ জিবুতিতে একটি ট্রানজিট ক্যাম্প স্থাপন করে ইয়েমেনে অবস্থানকারী প্রবাসীদের জাহাজে বা ফেরীতে জিবুতি চলে আসার আহবান জানাতে পারে। আবার যারা ওমান সীমান্তের কাছাকাছি আছেন তাদের ওমান সরকারের সাথে যোগাযোগ করে সে দেশের মাধ্যমে সরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে ইয়েমেনে চলাচল খুবই দুরূহ এবং জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু এ ছাড়া এখন তো আর কোন উপায় নেই। কারণ ইয়েমেন যুদ্ধ খুব দ্রুত শেষ হবে এমনটা কেউই মনে করছেন না। আর সৌদি আরব দেশটি দখল করতে পারবে এমন সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। কাজেই ইয়েমেন থেকে প্রবাসীদের ফিরিয়ে আনতে জরুরী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশনিউজ
১২.০৪.২০১৫


Comments are closed.