>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

শুভ বড়দিন

jesus-1আজ শুভ বড়দিন। খ্রীস্টান ধর্মের প্রচারক যীশুর জন্মদিন ২৫ ডিসেম্বর, মৃত্যু দিবসও এটি।

খ্রীস্ট ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, ঈশ্বরের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে একজন নারীর প্রয়োজন ছিল। সেই নারীই হলেন কুমারী মেরী; মুসলিমদের কাছে যিনি মরিয়ম নামে পরিচিত। খ্রিস্টান ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের বিশ্বাস মতে, ঈশ্বরের অনুগ্রহে ও অলৌকিক ক্ষমতায় মেরী কুমারী হওয়া সত্ত্বেও গর্ভবতী হন। ঈশ্বরের দূত গ্যাব্রিয়েলের (জিব্রাইল) কথা মতো শিশুটির নাম রাখা হয় ঈসাস বা  যিশাস, যা বাংলায় মুসলিমদের কাছে ঈসা এবং খ্রীষ্টানদের কাছে যীশু। ধর্মের শিক্ষাভ্রষ্ট হয়ে বিপথগামী পাপাচারী তৎকালীন ইহুদী সম্প্রদায়ের মধ্যে ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে আবির্ভূত এ শিশুটিই বড় হয়ে খ্রীস্টধর্ম প্রচার করেন। ইসলাম ধর্মবিশ্বাসে তাকে হযরত ঈসা (আঃ) বলা হয়।

ঈসা বা যীশু তার হৃদয়ে সকল মানুষকে একই প্রভুর সৃষ্টি হিসেবে স্থান দিয়ে ভেদাভেদ ভুলে সকলকে সমান মর্যাদায় গ্রহণ করার জন্য, ভালবাসার জন্য আহবান জানিয়েছিলেন। মানুষে মানুষে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য এবং শান্তির বারতা প্রচার করেছিলেন। মানব সমাজের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য তিনি শান্তিকে খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। উঁচু, নীচু এবং ভেদাভেদে বিশ্বাসী ইহুদী শাসকেরা তাঁর এই মানবতাবাদী আবেদন ভাল চোখে দেখেনি। তাঁর উপর চালিয়েছিল সীমাহীন নির্যাতন, তাকেঁ করেছিল ক্রুশবিদ্ধ। কিন্তু তিনি কোন অবস্থাতে ভ্রাতৃত্ব, ভালবাসা আর শান্তির পথ থেকে বিচ্যুত হন নি।

হানাহানি, বিদ্বেষ ও মৌলবাদ জঙ্গীবাদের ছোবলে ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ এবং সন্ত্রাস ও যুদ্ধবাজদের নখরাঘাতে রক্তাক্ত বর্তমান বিশ্বে যীশুর শিক্ষা নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের মুক্তি ও পুরো মানব সমাজকে ভ্রাতৃত্ব, ভালবাসা আর শান্তির পথ দেখাবে, এই আশাবাদ আজ সকলের।

সকলকে শুভেচ্ছা! শুভ বড় দিন!

বাংলাদেশনিউজ
২৫.১২.২০১৪


১ মন্তব্য

  1. মুসা antirajakar

    খ্রিষ্টানরা হযরত ঈসা ( আঃসাঃ) এর শিক্ষা ভুলে গেছে, প্রতিটি খ্রিস্তান সমাজে চলছে মদ, মা*ীবাজ্‌, শুয়র খাওয়া, মদ খাওয়্‌ বিবাহ ছারা অবাদ যৌনসম্পর্ক, জোয়া … ইত্যাদি জাতিয় জঘন্য  পা্‌প