>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

আজ ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস

মজিবুর রহমান খান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Bijoyআজ ৮ ডিসেম্বর। ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর যখন পাকিস্তানী হানাদার দখল থেকে মুক্ত হয়। তখন চারদিকে ছিল ধ্বংশের স্তুপ। স্কুল-কলেজ আবাসিক এলাকা হয়েছিল ধ্বংসের লীলাভূমি।

এদিকে সকালে তৎকালীন এমএনএ ও আওয়ামীলীগ নেতা প্রয়াত আলী আজম ভূইঁয়া ও মুক্তিযুদ্ধের ৩নং সেক্টরের গেরিলা উপদেষ্টা প্রয়াত অ্যাডভোকেট লুৎফুল হাই সাচ্চুসহ অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধাদের নিয়ে শহরে প্রবেশ করে দেখতে পান পাকিস্তানী বাহিনীর নারকীয় হত্যাযজ্ঞের দৃশ্য।

পাকিস্তানী বাহিনী শহর ছেড়ে যাবার সময় কলেজ হোস্টেল, অন্নদা স্কুল বোর্ডিংসহ বিভিন্ন রেশন গুদামে অগ্নি সংযোগ করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর মুক্ত হবার পর তৎকালীন পূর্বাঞ্চলের লিবারেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জহুর আহাম্মেদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।

একাত্তরের শহীদদের স্মরণে শহরের ফারুকী পার্র্কে গড়ে উঠে স্বৃতিসৌধ। কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে কাউতলী এলাকায় তিন সড়কের মোড়ে নির্মাণ করা হয়েছে সৌধ হিরম্ময় ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ। এছাড়াও রয়েছে পৈরতলা এলাকায় বধ্যভূমি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মুক্ত দিবস উপলক্ষে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, প্রতিনিধি, এসএস, জের, ০৮.১২.২০১৪


Comments are closed.