>> নায়করাজ রাজ্জাকের দাফন আজ সকাল ১০টায় >> নারায়নগঞ্জ ৭ খুন মামলায় নূর হোসেন তারেক সাঈদসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডেশ বহাল >> আইন সচিব জহিরুল হকের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ তিন মাস স্থগিত : হাইকোর্ট >> কোথাও কোথাও মাঝারি ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে >> পাবনায় দুই বাসের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত ১৫ জন আহত

হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে নির্বাচনি প্রচারে নরেন্দ্র মোদি

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ

Modi campaignঅগ্নি পরীক্ষার নাম মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানা। ১৫ অক্টোবর এই দুটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। মহারাষ্ট্রে দীর্ঘ ২৫ বছরের শিবসেনা-বিজেপি জোট ভেঙে যাওয়ায় এককভাবেই ভোট বৈতরণী পার হতে হবে বিজেপিকে। এক্ষেত্রে দলের একমাত্র ভরসা সেই শ্রীমান নরেন্দ্র মোদিই। আজই তিনি হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্রে উড়ে যাচ্ছেন নির্বাচনি প্রচারের জন্য।

মহারাষ্ট্রে শুধু দীর্ঘদিনের গেরুয়া জোট ভেঙে ছত্রখানই হয় নি, বস্তুত আরব সাগরের পানি গড়িয়েছে বহুদূর। জোট ভাঙার পর থেকে রীতিমত বিজেপি’র বিরুদ্ধে নিয়ম করে বাকযুদ্ধ জারি রেখেছে শিবসেনা। কোনোমতেই মহারাষ্ট্রে বিজেপিকে পাত্তা দিতে নারাজ তারা।

দলের সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে এবার শিবসেনা যুব নেতা ও উদ্ধব পুত্র আদিত্য ঠাকরেও নেমে পড়েছেন ময়দানে। গতকালই তিনি একটি সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাতকারে ‘বিজেপি পিছন দিক দিয়ে ছুরি মেরেছে’ বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেছেন, যখন বিজেপি’র ‘আচ্ছে দিন’ (সুদিন) আসল তখন আমাদের আর প্রয়োজন থাকল না। নির্বাচনের পরে শিবসেনা নিজেদের ক্ষমতাতেই রাজ্যে সরকার গড়বে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

এদিকে মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা’র সুপ্রিমো রাজ ঠাকরেও বিজেপিকে কটাক্ষ করে বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘বিজেপি নির্ভরযোগ্য দল নয়। আমি সব সময় বলি ওদের ওপর ভরসা করা যায় না। ওরা বলে এক, আর করে আর এক।’

তার মন্তব্য, ‘আমাদের রাজ্যে জাতীয় দলের কী প্রয়োজন ? মহারাষ্ট্রে বিজেপি’র কোনো মুখ নেই, এজন্য মোদিকে নিয়ে আসা হচ্ছে। যদি  এভাবে প্রত্যেক রাজ্যে  নির্বাচনী প্রচারের জন্য যেতে হয় ,তাহলে মোদি প্রধানমন্ত্রীত্বের কাজ কি করে করবেন ? এভাবে সরকার কি করে কাজ করবে?’ রাজ ঠাকরে আরো বলেছেন, ‘ মহারাষ্ট্রে স্বরাজের প্রয়োজন। রেলওয়ে, শিক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্র আমরা নিজেরাই সামলাতে পারি। এজন্য আমাদের কেন্দ্র সরকারের দরকার নেই।’

এদিকে মহারাষ্ট্র বিজেপি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট সহস্রাবুদ্ধে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য রাজ্যে ১৫ থেকে ১৬ টি জনসভার আয়োজন করা হয়েছে। আজ ৪ অক্টোবর  মহারাষ্ট্রের বীড, ঔরঙ্গাবাদ এবং মুম্বাইতে জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে, আজ প্রথমে হরিয়ানার করনালে একটি সভায় ভাষণ দেবেন মোদি। তারপরেই উড়ে যাবেন মহারাষ্ট্রে।

এমনিতেই কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন হওয়ার মাত্র মাস তিনেকের মধ্যে যেভাবে একের পর এক বিভিন্ন রাজ্যের উপনির্বাচনে বিজেপি পরাজিত হচ্ছে। একই সাথে বিজেপি তথা এন ডি এ জোট থেকে জোট সঙ্গীরাও বেরিয়ে যাচ্ছে তাতে বিজেপি খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থায় নেই।

দেশ জুড়ে কথিত মোদি ঝড়ও যে উধাও হয়ে গেছে অনেকটাই তা গত নির্বাচনী ফলাফল থেকেই স্পষ্ট হয়েছে। এই অবস্থায় বিজেপি’কে ঘুরে দাঁড়াতে ফের মোদিকেই স্মরণ করতে হচ্ছে। বস্তুত অগ্নি পরীক্ষায় পড়েছেন মোদি।

হরিয়ানাতে বিজেপির অবস্থা মোটেও শক্ত নয়। যদি এই বিধানসভা নির্বাচন দুটিতেও বিজেপি আশানুরূপ সাফল্য না পায়   তাহলে নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তি বড় ধাক্কা খাবে বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছেন।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ, এসএস, জের, ০৪.১০.২০১৪


Comments are closed.