>> শনিবার সকালে উত্তর কোরিয়া আবার ব্যালিষ্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে >> পরস্পর আন্তঃসংঘর্ষে সিরিয়ায় পূর্ব দামেস্কে ৪০ সন্ত্রাসী নিহত >> মিয়ানমারের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৯ আহত ২১ >> রাজধানী ঢাকায় ট্রাকচাপায় ২ জন নিহত >> আখাউাড়ায় ট্রাকচাপায় নিহত ১ আহত ৩ >> মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক মোটর সাইকেল আরোহী নিহত

বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের নিরানন্দ ঈদ : এ কেমন তামাশা ?

শাহ আলম বাবুল

ShahAlamসারা দেশে আজ ঈদের আমেজ, ঘরে ঘরে আনন্দের জোয়ার, টিভির পর্দায় দেশ জুড়ে কেনা কাটার ধুম বাহারী পোষাক আর ফ্যাশন। ঠিক এর উল্টো দিকে ঘটছে আরেক ঘটনা যা লোক চক্ষুর অন্তরালে না হলেও মিডিয়ার অন্তরালে। কেউ খোজ রাখেনা। শুধু এবারই নয় প্রায় প্রতিটি উৎসবেই ঘটে এমনটি।

সরকারের অন্যান্য সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যথা সময়ে তাদের  বেতন-ভাতা পেলেও ব্যতিক্রম শুধু বেসরকারী শিক্ষকদের বেলায়। বুকের ব্যাথা বুকে চেপে রাখার গুন থাকায় কথাটা হয়তো ছড়ায় না। তবে এ কথা ঠিক যে শিক্ষক বাদে সরকারের যে কোন সেক্টরে এমনটি করা হলে অন্যরকম কিছু হয়ে যেতো।

প্রতি বছর মুসলমানদের দুটি বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। এছাড়া হাল আমলে বাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রভাবে নতুন কিছু উৎসবের আর্বিভাব ঘটেছে। কিন্তু এই উৎসবগুলোতে নিদারুন যন্ত্রনা শুধু বেসরকারী শিক্ষকদেরই বয়ে যেতে হবে এমন কেমন কথা? এবাররের ঈদের কথাই ধরা যাক, ব্যাংক থেকে শুরু করে অধিকাংশ ক্ষেত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিগত মাসের বেতন ও ঈদের বোনাস তুলে কম-বেশি যাই পারেন ঈদের কেনা-কাটা সেরে ফলেছেন। বাকি শুধু শিক্ষকদের কেনা-কাটা, কপালে থাকলে ঈদের রাতে নয়তো ঈদের পরে। কারন, ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ২৪ তারিখ বিল উত্তোলনের শেষ তারিখ।

প্রচলিত নিয়মে উত্তোলনের শেষ তারিখই স্থানীয় ব্যাংকগুলো স্মারক নস্বর ব্যাংকে টানিয়ে দেয়। অথচ ২৪ তারিখ বৃহস্পতিবার,  সেদিন বেতন পাওয়ার কোন সম্ভাবনাই নাই। ২৫ তারিখ শুক্রবার কোন কালেই ব্যাংক খোলা থাকের না। ২৬ তারিখ শনিবার পবিত্র শব-ই-কদর। ২৭ যথারীতি ব্যাংক চালু থাকলেও বড়জোর ২০/২৫টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বিল পেতে পারেন।

অন্যান্য চাকুরীজীবিরা যেখানে জুলাই মাসের বেতন পর্যন্ত পেয়ে গেছেন সেখানে বেসরকারী শিক্ষকরা জুন মাসের বেতন-ভাতাও যথা সময়ে পাচ্ছেন না। এ বিষয়টি যে সরকারের অনিচ্ছাকৃত তা বলার কোন সঙ্গত কারন নেই। কারণ এ অবস্থা প্রায় প্রতি উৎসবেই ঘটে থাকে।

একটি উৎসবে সরকারের সকল সেক্টরে যেখানে উৎসবের আমেজ সেখানে শুধু বেসরকারী শিক্ষকদের কষ্টটা হয়তো কারো চোখেই পড়ছে না। গোপনে তারা ছুটছেন দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে, চেক জমা রেখে বা বিক্রি করে টাকা নিয়ে ছেলে-মেয়েদের আনন্দ দেয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করছেন।

এমনটি কেন হয় ?  বেসরকারী শিক্ষকদের বেতন-ভাতা নিয়ে এমন তামশা কেন ?

# মো: শাহ আলম বাবুল, বাগরাকসা, শেরপুর টাউন, শেরপুর-২১০০।

বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম
২০.০৭.২০১৪


Comments are closed.