>> ইরাক ও সিরিয়ায় মার্কিন বিমান হামলায় নিহত আরও ৬১

হরতাল হাবিয়া

আকতার হোসেন

Akhtar Hossain

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 
কোকিলার কুহক ডাকে দেশে কিংবা প্রবাসে মামা’রা গর্জে
উঠে এক সাথে – হুক্কাহুয়া। কে বলে জনসমর্থন নেই!
তোমরা কি দেখতে পাও না মাঠ ভরে গেছে কাগজের ফুলে!

তিনিও কম যান না। ঘোমটা টেনে পথ সভায় টিয়া পাখি শিষ
দেয় ‘ইনশাল্লাহ পারবেন না’। প্রচুর করতালি পায় তার ভবিষ্যৎ
রচনা। তিনি বলেন সব কিছু বন্ধ করে দেয়া হবে।

ইটের স্তূপে নিস্তব্ধ নূপুর। করাত কাটে যুবতির কেশ। সাভার
হয়ে উঠে আন্তর্জাতিক শহর। ছাপ্পান্ন হাজার পিলার কাঁপে
মন্ত্রীর কাব্যিক ভাষ্যে। তিনি দাঁত খিলান শ্রমিকের পাঁজরে।

রক্তের নহর লিখনির বিরুদ্ধে। মুক্ত চিন্তায় শিকল পরা ছল।
রেল লাইনের মত সমান্তরাল জনপদ। জাতীর বিরুদ্ধে বিজাতি
ইঁদুর গর্ত খোঁড়ে। কারো হাতে সাদা পতাকা উড়ে।

হাটহাজারি থেকে আসে বড় হুজুরের নির্দেশ। শাপলা ফুল,
ব্যাঙ্ক পারায় আতরের গন্ধ। কারবালা হতে গিয়েও বেঁচে যায়
বুড়িগঙ্গার বিষাক্ত জল। রাবার বুলেটে খই ভাঁজা হয়।

এক চুল ও নড়া হবে না। আসুন আলোচনা করি। বাদুরগুলো
মগডালে বসে গুনে এক চুল দুই চুল দূরত্ব। আইনজীবী
লাগিয়ে খোঁজে শাসনতন্ত্রের ভুল। প্রজ্বলিত শহুরে পরিবেশ।

নির্বাচন মৌসুম এবারো নিরাপত্তা নির্বাসনে, শান্তির চাবি চলে
গেছে ডিএমপির হাতে। লাল টেলিফোনে লুকানো সমাধান
এবং নৈশভোজ কৌতুক দেখে হতাশ ফেসবুক ফ্রেন্ড।

ফিরিঙ্গীদের বাড়িতে মহা সচিবদের জলসা কাব্য চলে। তখনও
কিছু সুশীল খাবার টেবিলে খোঁজে পুইশাকের সবুজ হবার
উৎস। রাজনৈতিক তিনিও নিরপেক্ষ সাজেন রাষ্ট্র দরবারে।

হরতাল হাবিয়া হয়ে আসে সোনালি আঁশে। টোকাই শিশু গাড়ি
চড়ার সাধ মেটায় এম্বুলেন্সে শুয়ে। পাপীর কারণে জ্বলে নিষ্পাপ
দেহ। মানুষ নড়ে না ঘটঘট শব্দে স্ট্রেচারের চাকা ঘুরে।

শীতাতপ কক্ষে আম-ছালার হিসেব কষছে তিনশত দরবেশ।
জামানতের টাকা যোগারে ব্যস্ত গন মানুষের দোসর। অচেনা
বাসযাত্রী শরীরের খানিকটা গন্ধ রেখে আছে মর্গে।

তালগাছটি কার! সেই বিচারে দিশেহারা মধ্যবিত্ত, ছাত্র কিংবা
রপ্তানিকারক। যদিও ঘড়ির কাটা মধ্য প্রদেশ ছেড়ে গেছে বহু
আগে মন্ত্রিত্বের পিঠা ভাগাভাগি হয় থুথু নেতার সাথে।

এটা কি শদে? যার কোন মানে নেই, উল্টো করলে
যাকে বলা যেত দেশ!
শোক নাই তবে কি লোক নাই, জনসংখ্যা ষোল কোটি,
মানুষ কোথায় বাহে!

বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম
০১.১২.২০১৩


Comments are closed.