>> বরগুণায় সাগরে ট্রলার ডুবি ৪ জেলে উদ্ধার ৪ জন নিখোঁজ >> টেষ্ট অধিনায়কত্ব হারালেন মুশফিকুর রহিম >> নতুন টেষ্ট অধিনায়ক সাকিব আল-হাসান সহ-অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ

হরতাল নিয়ে দ্বন্দ্বে বিএনপি

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম

BNPমানবতাবিরোধী অপরাধে দোষীসাব্যস্ত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদ-াদেশের রায় হলেও হরতাল নিয়ে এখনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি কেন্দ্রীয় বিএনপি। হরতাল বা অন্য কোনো কর্মসূচি হবে কিনা তা নিয়ে বিভক্তি দেখা দিয়েছে দলটিতে। সূত্র জানিয়েছে, সাকা চৌধুরী নোয়াখালীর নেতাদের নিয়ে বিভিন্ন সময় কটূক্তি করায় প্রভাবশালী ওই গ্রুপটির চাপে বিএনপির হাইকমান্ড স্থির কোনো সিদ্ধান্ত আসতে পারছে না। এমনকি রায়ের পর প্রকাশ্যে বিএনপির শীর্ষ নেতারা মন্তব্য করছেন না।

মঙ্গলবার সকাল থেকে বিএনপির নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী থাকলেও রায় ঘোষণার ২০ মিনিটি আগে তারা পাশের একটি ভবনে চলে যান। ওই ভবনে তারা প্রায় ৩০ মিনিট অবস্থান করে রায় ঘোষণার ১৫ মিনিট পর সেখান থেকে সাংবাদিকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কেটে পড়েন। দলের শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে রায় নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানার জন্য তাদের দুজনের সঙ্গে বেশ কয়েকবার টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। অপর প্রান্তে ফোন রিং হলেও কেউই কল রিসিভ করেনি। শুধু ফখরুল বা রিজভীই নয়, অন্য কোনো শীর্ষ নেতাদের এখন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেখা যাচ্ছে না।

সকাল থেকে যে দু-চারজন কার্যালয় ছিলেন রায় ঘোষণার কিছুক্ষণ আগে তারাও সটকে পড়েন। এছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। তাদের কারও কারও ফোন বন্ধ ছিল, আবার কেউ কল রিসিভ করেননি। এখন শুধু বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শুধু পুলিশ আর সাংবাদিক।

জানা গেছে, কার্যালয়ের সামনে থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তার নাম দুলাল। তার বাড়ি নোয়াখালীর চৌমুহনী এলাকায়। দুলালকে আটকের পর কার্যালয়ের সামনে বিএনপির কোনো নেতা-কর্মীকে দেখা যাচ্ছে না। এদিকে জানা গেছে, দলের এক শুভাকাঙ্ক্ষীর বাড়িতে গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।

বৈঠক সূত্র জানায়,  খালেদা জিয়ার সঙ্গে কথা বলে তারা রায়ের ব্যাপারে কথা বলবেন। এক নেতা জানিয়েছেন, আগ বাড়িয়ে এ ব্যাপারে কথা বলার বিষয়ে খোদ খালেদা জিয়া কঠোর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছেন।

বৈঠক সূত্র আরও জানায়, বেশিরভাগ নেতা চান, আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিতে। কেউ কেউ চান সম্পূর্ণ নীরবতা। আর কেউ কেউ বলছেন, দল থেকে একটি গ্রহণযোগ্য বিবৃতি দিয়ে রাখতে।

bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম, এসএস, জের, ০২.১০.২০১৩


Comments are closed.