>> ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজট চলছে >> সিলেটে পাঁচতলা জঙ্গী আস্তানা ঘিরে রেখেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী >> ময়মনসিংহে ট্রাক সড়কের গর্তে পড়ে ১০ জন নিহত >> লন্ডন হামলাকারী জন্মসূত্রে ব্রিটিশ নাগরিক >> দু’টি মার্কিন বিমান হামলায় মসুলে ২৩০ জন নিহত >> ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর গুলিতে ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত

সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা টেকনাফ নিয়েও ভাবছে সরকার

নিউজডেস্ক, বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম

Teknaf-Riverসম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা এই টেকনাফ নিয়েও এবার নতুন করে ভাবছে সরকার। সহসাই সীমান্ত উপজেলা টেকনাফে ট্যুরিজম এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে প্রকল্প প্রণয়নের জন্য ইতিমধ্যে শেলটেক কনসালটেন্ট (প্রা.) লিমিটেডকে পরামর্শক নিয়োগ করা হয়েছে। এতে করে পর্যটনের আরো একটি নতুন দ্বার খুঁলতে যাচ্ছে বলে এমনটাই মনে করছেন কক্সবাজারবাসী।

সীমান্ত এলাকা হিসেবে টেকনাফ পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান। রয়েছে আলাদা কদরও। মিয়ানমার থেকে সীমান্ত বাণিজ্য, দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন এর পাশ্ববর্তী এলাকা, ধীরাজ ভট্টাচার্য্যরে ঐতিহাসিক মাথিনের কূপ, কানারাজার গুহা, সমুদ্র সৈকত ছাড়াও রয়েছে নাফ নদীর পাড় দিয়ে পাহাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য দেখার সুযোগ। বছরের প্রায় সময়ই সেন্টমার্টিনে যেমন পর্যটক যান অনুরূপ ভাবে টেকনাফেও যাচ্ছে অসংখ্য পর্যটক। কিন্তু সেখানে ভালোভাবে যাওয়া এবং থাকার পর্যাপ্ত সুযোগ গড়ে উঠেনি। বন বিভাগ ও সড়ক বিভাগের পর্যটন কটেজ , সরকারী দুইটি রেস্ট হাউস এবং বেসরকারী ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বেশ কিছু আবাসিক হোটেল।

স্থানীয় অধিবাসীদের দীর্ঘদিনের দাবি, টেকনাফকে পরিকল্পিতভাবে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার। অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্টান টেকনাফে বিনিয়োগ করতেও আগ্রহী । অনেকে জমিও কিনেছেন। দেশের অনেক বড় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান আছে যাঁরা কক্সবাজার কলাতলি সহ আশপাশ এলাকায় হোটেল-মোটেলসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করছেন।

Tenafনাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বিনিয়োগকারী প্রতিষ্টানের লোকজন জানান, সরকারের সহযোগিতা পেলে তাঁরা টেকনাফেও গড়ে তুলতে চান অত্যাধুনিক মানের টেল-মোটেল।

তাঁরা মনে করেন, পরিকল্পিত উপায়ে টেকনাফে হোটেল-মোটেল জোন গড়ে তুলতে দেয়া দরকার। সেসাথে টেকনাফে পর্যটকদের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্যও একই সঙ্গে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্র জানা গেছে, সম্ভাবনাময় টেকনাফকে নিয়ে নতুন করে ভাবা হচ্ছে। এখন যে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে এর নামকরণ করা হয়েছে “প্রিপারেশন অব ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান অব কক্সবাজার টাউন অ্যান্ড সী-বিচ আপ টু টেকনাফ”।

এই প্রকল্পে টেকনাফকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পটি তৈরির প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বলে সুত্র জানায়।

টেকনাফবাসির মাঝে আশার সঞ্চারিত হয়েছে। তারা মনে করেন টেকনাফে পর্যটন এলাকা গড়ে উঠলে স্থানীয় লোকজনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

Http://www.bdn24x7.com, বাংলাদেশনিউজ২৪x৭.কম, এসএস, জের, ১২.০৫.২০১৩


Comments are closed.